সন্ত্রাসবাদ ইস্যুতে ট্রাম্পের সতর্ক বার্তা, আতঙ্কে পাকিস্তান

পাকিস্তান ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক ক্রমশই উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। আর তারই জের ধরে সন্ত্রাসবাদ ইস্যুতে আবারও পরোক্ষভাবে পাকিস্তানকে বার্তা দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। কাবুলে ভয়াবহ বিস্ফোরণ প্রেক্ষিতেই এই বার্তা বলে মনে করছে আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞমহল।

এ ব্যাপারে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জানান, তালিবানদের বিরুদ্ধে একজোট হতে হবে সব রাষ্ট্রকে। যাবতীয় ক্ষুদ্র স্বার্থ ভুলে বিশ্বের প্রতিটি দেশকে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে। বিশেষত, সেই সব দেশ, যারা সন্ত্রাসবাদ ও সন্ত্রাসবাদীদের প্রতি সহানুভূতিশীল, তাদের নিজেদের অবস্থান বদলানোর সময় এসেছে।

গঠন মূলক ও সক্রিয় কঠোর পদক্ষেপ না হলে সন্ত্রাসবাদের মুক্তাঞ্চল হয়ে উঠবে বিশ্ব। সেটা হতে দেওয়া যায়না বলে এদিন বার্তা দেন ট্রাম্প। তিনি জানান, যে সব দেশ এখনও সন্ত্রাসবাদ ইস্যুতে দ্বিমুখী আচরণ করছে, তারা সাবধান হোক। সবদিক থেকে তাদের সঙ্গে সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন করা হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি। কাবুলের বিস্ফোরণকে ভয়াবহ ও নৃশংস বলে চিহ্নিত করে এদিন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, বর্তমানে সন্ত্রাসবাদ বিশ্বের সবথেকে বড় চ্যালেঞ্জ।

উল্লেখ্য, এর আগে জানুয়ারিতে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেয় যুক্তরাষ্ট্র। পাক সরকারকে কোনো আর্থিক সাহায্য দেওয়া হবে না বলে ঘোষণা করে ট্রাম্প সরকার। সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ না নেওয়ায় পাকিস্তানের সেনাবাহিনীকে ৩০ কোটি ডলার আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে না বলে জানিয়ে দেয় যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সদর দফতর পেন্টাগন।

তারা আরও জানায়, এর আগে এফ-১৬ যুদ্ধবিমান কেনার জন্য পাকিস্তানকে যে ৭০ কোটি ডলার সাহায্য দেয়ার কথা ছিল, তাও আটকে দেওয়া হয়েছে। কোয়ালিশন সাপোর্ট ফান্ড বা সিএফএফ-এর আওতায় পাকিস্তানকে এই ৩০ কোটি ডলার দেওয়ার কথা ছিল যুক্তরাষ্ট্রের।