জিম্বাবুয়েকে ২১৭ রানের লক্ষ্য ছুড়ে দিল বাংলাদেশ

মিরপুরে জিম্বাবুয়েকে মাত্র ২১৭ রানের টার্গেট দিয়েছে স্বাগতিক বাংলাদেশ। ২৩ রানের মধ্যে ৬ উইকেট হারিয়ে এক সময়ে বাংলাদেশের দুইশ পর্যন্ত যাওয়া নিয়ে শঙ্কা জেগেছিল। দলকে টেনেছেন টেলএন্ডার ব্যাটসম্যানরা। ৪৯তম ওভারে তেন্দাই চাতারা বলে মুস্তাফিজুর রহমানের চারে দলের সংগ্রহ যায় দুইশ রানে। হিথ স্ট্রিকের শিষ্যদের কাছে তামিম-সাকিব ছাড়া কেউই ব্যাট হাতে দাঁড়াতে পারেননি। একের পর এক উইকেট বিলিয়ে দিয়ে এসেছেন মাহমুদউল্লাহ-নাসিররা।

বাংলাদেশের দলীয় ১৪৬-১৭০ মাত্র ২৪ রানের মধ্যে ৬টি উইকেট হারিয়েছে মাশরাফি বাহিনী। এ যেন তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়েছে বাংলাদেশের ব্যাটিং স্তম্ভ। তামিম-সাকিব ছাড়া কেউই জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে উইলোটা শক্ত হাতে ধরতে পারেননি। মাহমুদউল্লাহ, সাব্বির, নাসির ও মাশরাফিরা কেউই দুই অঙ্কের ঘর পার হতে পারেননি। জিম্বাবুয়ের সামনে পুরনো বাংলাদেশ হয়েই মিরপুরে ধরা দিল সাব্বির-নাসিররা।

টস জিতে আজ দিনের শুরুতে ব্যাটিং নেন বাংলাদেশের অধিনায়ক মাশরাফি। কিন্তু মিরপুরে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতেই হোচট খায় বাংলাদেশ। দলীয় ছয় রানের মাথায় হারায় বিজয়কে (১)। এর পর সাকিব ও তামিম ১০৬ রানের জুটি গড়ে সেই ধাক্কা সামলে নেন। কিন্তু সাকিব আউটের পর মুশফিক-তামিমের ৩৫ রানের জুটি ছাড়া আর বড় কোনও জুটিই গড়তে পারেনি বাংলাদেশ। মুশফিক (১৮) মাহমুদউল্লাহ (২), সাব্বির (৬), নাসির (২) ও মাশরাফি (০) রান করেছেন। ১৭০ রান তুলতেই খুইয়েছে ৮ উইকেট। যেন আসা-যাওয়ার খেলায় মেতে উঠলেন মাহমুদউল্লাহ-সাব্বির-নাসিররা। গ্রায়েম ক্রেমার ৪টি ও কাইল জার্ভিস ৩টি, সিকান্দার রাজা ও টেন্ডাই চাতারা ১টি করে উইকেট নিয়ে বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ে ধস নামিয়েছেন।

তবে শেষদিকে টেলএন্ডার সানজামুল ও মুস্তাফিজের কল্যাণে ২০০ রানে ঘর অতিক্রম করতে সক্ষম হয় বাংলাদেশ। ফাইনালে ওঠার সম্ভাবনায় নিজেদের এগিয়ে রাখতে মঙ্গলবার বাংলাদেশের বিপক্ষে জয়টা খুবই জরুরি জিম্বাবুয়ের জন্য। কাঙ্ক্ষিত সেই জয়টি পেতে আত্মবিশ্বাসী জিম্বাবুয়ে, জানান মুর। ২ ম্যাচে ১০ পয়েন্ট নিয়ে সবার ওপরে বাংলাদেশ। ৩ ম্যাচে জিম্বাবুয়ে ও শ্রীলঙ্কার পয়েন্ট ৪ করে। রান রেটে খানিকটা এগিয়ে গ্রায়েম ক্রিমারের দল।