গর্ভপাত না হওয়া পর্যন্ত কিশোরীর পেটে লাথি!

যুক্তরাষ্ট্রের ডালাসে গর্ভবতী এক কিশোরীকে মারধর এবং তার গর্ভপাত না হওয়া পর্যন্ত পেটে লাথি মারার ঘটনায় একটি পরিবারের তিনজনকে শাস্তি দিল আদালত। ২০১৫ সালে পুলিশে অভিযোগ দায়ের করে সেই কিশোরী। বর্তমানে তার বয়স ১৯ বছর।

২০১৩ সালের সেই ঘটনায় ১২ বছরের কারাদণ্ড হয়েছে ৪৭ বছরের শ্যারন জোন্সের। তার মেয়ে ২৮ বছরের সিসিলা ম্যাকডোনাল্ডসের ৭ বছর এবং ছেলে ২৯ বছরের সেড্রিক জোন্স জুনিয়রের ৫ বছরের কারাদণ্ড হয়েছে। তাদের অন্য আত্মীয় লোনেল ম্যাকডোনাল্ডসকে আগেই ১০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছিল আদালত। মূল অভিযুক্ত ২৪ বছরের রবার্ট কায়াল্ড অসুস্থ থাকায় তার মামলার রায়দান এখনও হয়নি।

পুলিশ সূত্রে খবর, দাদির মৃত্যুর পর পিতৃমাতৃহীন সেই কিশোরী এবং তার বোন তাদের ফুপু শ্যারনের সঙ্গে থাকছিল। পরে তাদের নিজের বাড়ি নিয়ে যায় তাদের চাচাতো বোন সিসিলা। সেখানেই ২০১২ সালের আগস্ট ১৩ বছরের সেই কিশোরীকে ধর্ষণ করেছিল তারই আত্মীয় রবার্ট।

গর্ভবতী হয়ে পড়লে তার গর্ভপাত করাতে জোর করে কিশোরীকে প্রচুর গর্ভনিরোধক ট্যাবলেট খাওয়ানো হয়। তাতেও কাজ না হওয়ায় কিশোরীর গর্ভপাত না হওয়া পর্যন্ত তার পেটে ক্রমাগত লাথি মারতে থাকে শ্যারন, সিসিলা, রবার্ট, সেড্রিক এবং লোনেল। প্রাণহীন শিশুটিকে তারপর তারা গ্রিলারে পোড়ানোর চেষ্টা করে। ব্যর্থ হয়ে একটি ব্যাগে মৃত শিশুটিকে ভরে আবর্জনার স্তুপে ফেলে দেয়।