হাড় কাঁপান শীতে নাকাল জন জীবন, সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৫.৮ ডিগ্রির নিচে

টানা তীব্র শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে দেশর ওপর দিয়ে। জেঁকে বসেছে ঘন কুয়াশা আর কনকনে ঠাণ্ডা। গতকাল দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ৫.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আজ শনিবার সকালে রাজশাহীতে এই সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। দিনভর হিমেল হাওয়ার সঙ্গে কুয়াশার মিশেলে হাড় কাঁপানো শীত পড়ছে। ফলে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে সাধারণ মানুষ। 

এর আগে, শুক্রবার সকালে আবহাওয়ার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা যশোরে ৭.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এবং সর্বোচ্চ তাপমাত্র কক্সবাজারে ২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। নাকাল হয়ে পড়েছে নগরজীবনের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা। বিশেষ করে ছিন্নমূল মানুষগুলো যারপরনাই দুর্ভোগ পোহাচ্ছে। পথের ধারে খড়কুটো জ্বালিয়ে তারা শীতের কামড় থেকে রেহাই পাওয়ার চেষ্টা করছে।

রাজশাহী আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আশরাফুল আলম জানান, শনিবার (৬ জানুয়ারি) ভোরে রাজশাহীতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল ৫ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। চুয়াডাঙ্গাতেও একই তাপমাত্রা রেকর্ড হয়। কিন্তু রোববার (৭ জানুয়ারি) সেই তাপমাত্রা আরও কমে ৫ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমেছে।

এর আগে বৃহস্পতিবার (৪ জানুয়ারি) থেকে রাজশাহীতে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ শুরু হয়। ওইদিন রাজশাহীতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এরপর শুক্রবার (৫ জানুয়ারি) সামান্য বেড়ে তাপমাত্রা দাঁড়ায় ৮ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। কিন্তু শনিবার (৬ জানুয়ারি) সকাল ৬টায় রাজশাহীতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৫ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর আগে গত বছরের ১৪ জানুয়ারি রাজশাহীতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল ৫ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস জানান, আবহাওয়া কর্মকর্তা আশরাফুল আলম।

আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আশরাফুল আলম বলেন, ধারাবাহিকভাবেই তাপমাত্রা কমছে। বর্তমানে রাজশাহীর ওপর দিয়ে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ বইছে। কয়েকদিনের মধ্যে এই অবস্থার উন্নতির সম্ভাবনা নেই। তবে রাতে কুয়াশার ঘনত্ব বাড়তে শুরু করলে তাপমাত্রা কিছুটা বাড়বে।