‘যে কয় বছর কমিটিতে থাকব, পুরোটাতেই সক্রিয় থাকতে চাই’

ক্রিকেট জগতের বড় নীতি নির্ধারণী প্ল্যাটফর্মের নাম এমসিসি। এমসিসির কমিটির সভায় ক্রিকেটের অনেক বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। আইসিসিকে সমসাময়িক ক্রিকেটের আইন-কানুনসহ নানা পরিবর্তন ও ক্রিকেটের ভালো-মন্দ নিয়ে সুপারিশ করে। আইসিসি সভায় অনুমোদন সাপেক্ষে বাস্তবায়ন হয় ওইসব সুপারিশের। প্রথমবারের মত কোনো বাংলাদেশি হিসেবে এই কমিটির সদস্য হয়েছেন সাকিব আল হাসান। কমিটির প্রথম সভায় কী ভূমিকা পালন করবেন তিনি?

৭ জানুয়ারি সভায় যোগ দিতে ঢাকা ছাড়বেন সাকিব। তার আগে আজ বৃহস্পতিবার মিরপুরে অনুশীলনের এক ফাঁঁকে সংবাদমাধ্যমের কাছে নিজের পরিকল্পনার কথা জানালেন বিশ্বসেরা অল-রাউন্ডার, ‘আমি ওখানে গিয়ে স্রেফ দর্শক হয়ে বসে থাকতে চাই না। অবদান রাখতে চাই। যে কয় বছর কমিটিতে থাকব, পুরোটাতেই সক্রিয় থাকতে চাই। সেভাবেই ভাবছি, প্রস্তুতি নিচ্ছি। পার্থক্য গড়ার মত কিছু বলতে বা করতে না পারলে তো সভায় গিয়ে লাভ নেই।’

সাকিব আরও জানালেন, সভার বিশাল কার্যবিবরণী পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। এখন তিনি মনযোগ দিয়ে সেসব কার্যবিবরণী পড়ছেন আর পরিকল্পনা তৈরী করছেন। সাকিবের ভাষায়, ‘সভার এজেন্ডাগুলো ওরা পাঠিয়ে দিয়েছে। অনেক কাগজপত্র। সেগুলো দেখছি। নিজের মতামত যা থাকবে, সেসব নিয়ে ভাবছি। প্লেনে ওঠার পর ফাইনাল টাচ দেব। লম্বা ফ্লাইটে শেষের সবটুকু গুছিয়ে নেব।’

২০০৬ সালে গঠিত হয়েছে এমসিসির এই কমিটি। গত বছর সদস্য হিসেবে এই কমিটিতে যুক্ত হয়েছেন সাকিব। বাংলাদেশের ক্রিকেটে অনেক প্রথমের জন্ম যার হাত ধরে, তিনি এখানেও প্রথম। কমিটির প্রথম সভা আগামী ৯ ও ১০ জানুয়ারি, সিডনিতে। রসিকতা করে বাংলাদেশের ক্রিকেটের ‘পোস্টার বয়’ বললেন, ‘আবার ছাত্র জীবনে ফিরে গেছি। এত এত কাগজপত্র পাঠিয়ে দিয়েছে। সেসবে চোখ বুলিয়ে নিচ্ছি।