থার্টি ফাস্টে নিরাপত্তায় থাকছে সোয়াট

নতুন বছরের প্রথম প্রহর (থার্টি ফার্স্ট) উদযাপনের নিরাপত্তায় এবার পুলিশের বিশেষায়িত স্পেশাল ওয়েপুন অ্যান্ড ট্যাকটিক্স (সোয়াট)। এই বাহিনীটি মূলত জঙ্গি দমনসহ পুলিশের বিশেষ অপারেশনে অংশ নেয়। থার্টি ফার্স্টের রাতে চার দেয়ালের ভেতরে অনুষ্ঠানের অনুমতি থাকলেও বাড়ির ছাদে কোনো অনুষ্ঠান করা যাবে না।

শনিবার সকালে থার্টি ফার্স্টের নিরাপত্তা সংক্রান্ত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব জানান ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া। তিনি বলেন, নগরবাসীর নিরাপত্তায় রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে সোয়াট থাকবে। যেসব স্থানে গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠান হবে সেখানে ডগ স্কোয়াড দিয়ে আগেই সুইপিং করা হবে, প্রস্তুত থাকবে বোমা ডিস্পোজাল ইউনিটও। ইংরেজী নববর্ষ উপলক্ষে কোনো উন্মুক্ত স্থানে বা বাড়ির ছাদে কোনো সমাবেশ, গান-বাজনা করা, আতশবাড়ি ফোটানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। ছাদে অনুষ্ঠান করে প্রতিবেশী বা এলাকাবাসীকে বিরক্ত করা যাবে না।

ডিএমপি কমিশনার আরও বলেন, ৩১ ডিসেম্বর রাত ৮টার মধ্যে বহিরাগতদের গুলশান ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা ছেড়ে চলে যেতে হবে। আর স্থানীয়রা রাত ৮টার মধ্যে নিজ নিজ এলাকায় প্রবেশ করবেন। গুলশান এলাকায় প্রবেশের জন্য শুধুমাত্র কাকলী ও মহাখালীর আমতলী ক্রসিং দিয়ে যেতে হবে। রাত ৮টার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টিকার ব্যতীত কোনো গাড়ি প্রবেশ করতে দেয়া হবে না। পায়ে হেঁটে প্রবেশের ক্ষেত্রে আইডি কার্ড প্রদর্শন করতে হবে।

তিনি বলেন, যদি কেউ চার দেয়ালের মধ্যে নববর্ষ উদযাপন করতে চান তাতে কোনো বাধা নেই। তবে অনুষ্ঠানের পূর্বেই পুলিশকে জানাতে হবে। রাস্তায় যদি কেউ অপ্রীতিকর কাজ করেন তাকে আইনের আওতায় আনা হবে। ৩১ তারিখ সন্ধ্যা থেকে পরের দিন সকাল পর্যন্ত ঢাকা শহরের সব বার বন্ধ থাকবে। কেউ এ নির্দেশ অমান্য করলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে। এ ছাড়াও এদিন রাতে কেউ আগ্নেয়াস্ত্র প্রদর্শন করতে পারবেন না।

নববর্ষ উদযাপনে কোনো হামলার হুমকি আছে কি না- সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সুনির্দিষ্ট কোনো থ্রেট নেই, তবে বৈশ্বিক অবস্থা বিবেচনায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।