বিডি ওয়েল্ডিংয়ের আর্থিক হিসাবে আপত্তি করেছেন নিরীক্ষক

সোমবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) থেকে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। বিডি ওয়েল্ডিংয়ের মজুদ পণ্য, স্থায়ী সম্পদ, ডেফার্ড টেক্স এবং শেয়ারহোল্ডারদের লভ্যাংশ হিসাবে পাওনা অর্থ নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য (কোয়ালিফাইড অপিনিয়ন) করেছেন কোম্পানির নিরীক্ষক। নিরীক্ষকের মন্তব্যের ভিত্তিতে ডিএসই জানিয়েছে, বিডি ওয়েল্ডিং কর্তৃপক্ষের দেয়া ২০১৬-১৭ অর্থবছরের আর্থিক হিসাবে মজুদ পণ্যের সত্যতা পাওয়া যায়নি। এছাড়া আর্থিক হিসাবে বাংলাদেশ হিসাবমানের (বিএএস) ৩৬ লঙ্ঘন করেছে।

নিরীক্ষকের মন্তব্যে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০১৭ সালের ৩০ জুন বিডি ওয়েল্ডিংয়ের স্থায়ী সম্পদ ছিল ১৭ কোটি ৪২ লাখ টাকার। এ সময় কোম্পানিটির কারখানা চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়েছে। এই স্থানান্তর বন্ধ হওয়ার পর কোম্পানির স্থায়ী সম্পদের ইমপেয়ারমেন্ট টেস্ট করানোর প্রয়োজন ছিল। কিন্তু কোম্পানি কর্তৃপক্ষ তা করেনি। এর ফলে বিএএস ৩৬ লঙ্ঘন হয়েছে। এমতাবস্থায় কোম্পানি কর্তৃপক্ষ মুনাফা ও সম্পদ বেশি দেখিয়েছে।

নিরীক্ষক উল্লেখ করেছেন, বিডি ওয়েল্ডিংয়ে শেয়ারহোল্ডারদের লভ্যাংশ বাবদ ৩৩ লাখ টাকা পাওনা রয়েছে। তবে কোম্পানিতে এ জাতীয় কোনো ফান্ড নেই। এদিকে মজুদ পণ্য হিসাবে ২০ কোটি ৫৮ লাখ টাকা উল্লেখ করা হলেও কোম্পানি কর্তৃপক্ষ তার পক্ষে সঠিক কোনো তথ্য দিতে পারেনি। এমনকি নিরীক্ষক সশরীরে তা যাছাই করতে পারেননি। যার কারণে মজুদ পণ্যের সত্যতা যাছাই করা যায়নি বলে মন্তব্য করেছেন নিরীক্ষক।

নিরীক্ষক আরও মন্তব্য করেছেন, কোম্পানি কর্তৃপক্ষ অ্যাকাউন্টিং বেসিস ও টেক্স বেসিসে স্বল্পমেয়াদি পার্থক্যে ডেফার্ড টেক্স গণনা করেনি। তারা শুধুমাত্র রিভ্যালুয়েশন সারপ্লাসের ওপরে ডেফার্ড টেক্স গণনা করেছে। এর মাধ্যমে বাংলাদেশ হিসাবমান লঙ্ঘন করা হয়েছে।