দৌলতপুরে মুক্ত দিবস পালিত

৮ ডিসেম্বর কুষ্টিয়ার দৌলতপুর মুক্ত দিবস। তৎকালীন দৌলতপুর থানায় পাক হানাদারদের সাথে সবচেয়ে বড় যুদ্ধ সংগঠিত হয় ৯ নভেম্বর থেকে ১১ নভেম্বর পর্যন্ত টানা তিনদিন আদবাড়িয়া ইউনিয়নের ব্যাঙগাড়ী মাঠে।

ব্যাঙগাড়ী মাঠে ৪ জন মুক্তিযোদ্ধা এবং ২ জন মিত্রবাহিনীর সদস্য শহীদ হন। এ যুেদ্ধ প্রায় ৩ শতাধিক পাকসেনা নিহত হয়। এরপর ২৬ নভেম্বর পিয়ারপুর ইউনিয়নের শেরপুর মাঠে পাকহানাদারদের সাথে আরেকটি বড় যুদ্ধে বীর মুক্তিযোদ্ধা হাবিবুর রহমান হাবিব শহীদ হন। এ যুদ্ধে প্রায় শতাধিক পাকসেনা ও প্রায় দুই শতাধিক আলবদর ও রাজাকার নিহত হওয়ার পর পাকসেনা ও রাজাকাররা মুক্তিযোদ্ধাদের তোপের মুখে কোনঠাসা হয়ে পড়ে এবং দৌলতপুর থানার অভ্যন্তরে আশ্রয় নেয়। বাধ্যহয়ে ৭ ডিসেম্বর রাতের অন্ধকারে পাকসেনারা পালিয়ে কুষ্টিয়ার শহরতলী জগতি ও বটতৈল এলাকায় আশ্রয় নেয়।

১৯৭১ এর আজকের এইদিনে বীর মুক্তিযোদ্ধারা দৌলতপুরে স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা আনুষ্ঠানিকভাবে উত্তোলনের মাধ্যমে দৌলতপুর কে শত্রুমুক্ত ঘোষণা করে। দিবসটি উপলক্ষ্যে দৌলতপুর উপজেলা প্রশাসন ও মুক্তিযোদ্ধা সংসদ দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসুচীর আয়োজন করেছে।

জহুরুল হক, কুষ্টিয়া প্রতিনিধি