ইংল্যান্ডের খেলোয়াড়দের ক্যারিয়ার শেষ করবে অস্ট্রেলিয়া!

পেক্ষার পালা প্রায় শেষের পথে। একদিন পরই মাঠে গড়াচ্ছে অ্যাশেজ সিরিজ। আগামী বৃহস্পতিবার (২৩ নভেম্বর) ব্রিসবেনের গ্যাবায় শুরু হচ্ছে পাঁচ ম্যাচ সিরিজের প্রথম টেস্ট। তবে মাঠের লড়াই শুরু হওয়ার আগেই উত্তাপ ছড়াচ্ছে ইংল্যান্ড-অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেটারদের কথার লড়াই। প্রতিবারের মতো এবারও কথার লড়াইয়ে একে অন্যকে কুপোকাত করার চেষ্টা করছেন দু’দেশের সাবেক ও বর্তমান ক্রিকেটাররা।

এবার সেই তালিকায় যোগ দিলেন অস্ট্রেলিয়ার নাথান লায়ন। ইংল্যান্ডের ক্রিকেটারদের ছুঁড়ে দিয়েছেন সতর্কবার্তা। এই অফ স্পিনার জানান, এবারের সিরিজেও অনেক ইংলিশ ক্রিকেটারের ক্যারিয়ার শেষ করে দিতে পারেন অজি পেসাররা।

২০১৩-১৪ অ্যাশেজে মিচেল জনসনের দুর্দান্ত বোলিংয়ে ইংল্যান্ডকে ৫-০ ব্যবধানে হোয়াইটওয়াশ করেছিল অস্ট্রেলিয়া। ওই এক সিরিজ ক্যারিয়ার শেষ করে দিয়েছিল বেশ কয়েকজন ইংলিশ ক্রিকেটারের। সিরিজের মাথপথে দেশে ফেরেন জনাথন ট্রট ও গ্রায়েম সোয়ান। পরে ক্রিকেটকে বিদায় জানান দুজনই। শেষ দুই টেস্টে দল থেকে বাদ পড়েন উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান ম্যাট প্রিয়র। পরবর্তীতে মাত্র চারটি টেস্ট খেলার সুযোগ হয়েছিল তার।

সিরিজের পর বাদ পড়েন ইংল্যান্ডের তারকা ব্যাটসম্যান কেভিন পিটারসেন। এরপর আর জাতীয় দলের জার্সি গায়ে তোলা হয়নি। চাকরি হারান কোচ অ্যান্ডি ফ্লাওয়ার। ইলিংশদের বিপক্ষে সেই সিরিজে খেলেছিলেন অস্ট্রেলিয়ার বর্তমান দলের তিন ক্রিকেটার। তাদের একজন নাথান লায়ন।

চার বছর আগের সেই অ্যাশেজ সিরিজে প্রথমবারের মতো অস্ট্রেলিয়া সফরে গিয়েছিলেন জো রুট। সেবার মাত্র ২৭ গড়ে ব্যাটিং করার কারণে সিডনি টেস্টে বাদ পড়েছিলেন রুট। সেই রুটই এবার ইংল্যান্ডের অধিনায়ক। ইংলিশ অধিনায়ককে সে স্মৃতি মনে করিয়ে দিয়ে লায়ন বলেন, ‘আমি জানি, রুট যখন এখানে এসেছিল, তখন সে বাদ পড়েছিল। আবারও সে বাদ পড়লে সেটা মন্দ হবে না!’

এবারও ২০১৩-১৪ অ্যাশেজের পুনরাবৃত্তি দেখছেন ডানহাতি এই অজি স্পিনার। বলেন, ‘দলের অংশ হয়েই দেখেছি, মিচেল জনসন যেভাবে তাদেরকে গুঁড়িয়ে দিয়েছিল, সেটা অবিশ্বাস্য ছিল। আমরা জানি, ওই সিরিজের পর অনেক ইংলিশ ক্রিকেটারই মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিল, অনেকের আবার ক্যারিয়ারও শেষ হয়ে গিয়েছিল। আশা করি, এবারও আমরা ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ঘটাব।’