আমতলীতে প্রেমিকার লাশ সাত টুকরো করার ঘটনায় আইনজীবী বিপ্লব রিমান্ডে

কলেজ ছাত্রী মালা আক্তারকে সাত টুকরো করে হত্যা মামলার অন্যতম আসামী আইনজীবী মাইনুল আহসান বিপ্লবকে ৫ দিনের পুলিশ রিমান্ড মন্জুর করেছে আধালত। মঙ্গলবার ( ৩১ অক্টোবর) আমতলী সিনিঃ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ হুমায়ন কবির জিজ্ঞাসাবাদের পর এ আদেশ দেন। 

গত ২৫ অক্টোবর পুলিশ অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আইনজীবি মাইনুল অহসান বিপ্লব তালুকদারকে পুলিশ সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। রিমান্ড আবেদন শুনানির জন্য আদালত মঙ্গলবার ( ৩১ অক্টোবর) দিন ধার্য ছিল। পুলিশ ও স্হানীয় সূত্র এ জানাগেছে বরগুনা সদর উপজেলার গুদিঘাটা গ্রামের মোঃ মান্নান হাওলাদারের কন্য মালা আক্তারের সাথে পটুয়াখালী জেলার মজিদ বাড়িয়া ইউনিয়নের বাসন্ডা গ্রামের আব্দুল লতিফ খানের ছেলে আলমগীর হোসেন পলাশ প্রেমের সম্পর্ক গরে তোলে।মালা সম্পর্কে পলাশের মামাতো শালিকা। সপ্তম শ্রেনীতে লেখা পড়া অবস্হায় পলাশের সাথে মালার সম্পর্ক হয়। মালা আক্তার কলাপাড়া মোজাহার উদ্দিন বিশ্বাস কলেজের একাদ্বশ শ্রেনীর ছাত্রী।

গত ২২ অক্টোবর সন্দ্ব্যায় পলাশ প্রেমিকা মালাকে নিয়ে আমতলী তার (পলাশ) আত্মীয় আইনজীবি মাইনুল আহসান বিপ্লব তালুকদারের বাসায় বেড়াতে আসে। তিনদিন ধরে পলাশ ঐ বাড়ীতে অবস্হান করে। ২৪ অক্টোবর মঙ্গলবার মালা পলাশকে বিয়ের চাপ দেয়। কিন্তু পলাশ রাজি হয়নি। এনিয়ে উভয়ের মধ্যে ঝগড়া ঝাটি হয়। একপর্যায় ঐ দিন দুপরে পলাশ মালাকে ধারালো অস্ত্র (বটি) দিয়ে কুপিয়ে মাথা দু হাত দু পা গলার নিচ থেকে কোমর পর্যন্ত দু টুকরা মোট সাত টুকরা করে হত্যা করে।

এঘটনার সাথে সম্পৃক্ত বাসার মালিক আইনজীবি বিপ্লবকে ঐ দিন রাত সারে ১০ টায় পুলিশ গ্রেফতার করে। আমতলী থানার ওসি (তদন্ত) মোঃ নুরুল ইসলাম বাদি হয়ে ঘাতক আলমগীর হোসেন পলাশ ও আইনজীবি মাইনুল আহসান বিপ্লব এর নাম উল্লেখ করে চারজনের নামে মামলা দায়ের করেন। গত ২৫ অক্টোবর ঘাতক আলমগীর হোসেন পলাশ আমতলী সিনিঃ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ হুমায়ন কবির এর আদালতে স্বীকারোক্তিমুলক জবানবন্দী দিয়েছেন।

মোঃমেহেদী হাসান, বরগুনা প্রতিনিধি