‘দ্রব্যমূল্য কমাতে সরকারের উদ্যোগ নেই’

ভোক্তাদের সংগঠন কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) অভিযোগ— জিনিসপত্রের দামের এ ঊর্ধ্বগতি নিয়ন্ত্রণে সরকার তেমন কোনো পদক্ষেপ নেয়নি।

লাগামহীনভাবে বাড়ছে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্যের দাম, যার প্রভাব পড়েছে জীবনযাত্রার ব্যয়ে। এতে অসহায় হয়ে পড়েছেন নিম্ন ও মধ্য আয়ের মানুষ। তাদের ভাষ্য, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি নিয়ন্ত্রণে তাদের দেয়া কোনো পরামর্শই আমলে নেয়নি সরকার। এভাবে ঊর্ধ্বগতি চলতে থাকলে জীবনযাত্রার ব্যয় মিটিয়ে সাধারণ মানুষের বেঁচে থাকা দুরুহ হয়ে পড়বে। বর্তমান বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় সব ধরনের পণ্যের দাম ঊর্ধ্বমুখী। আগের বাড়তি দামেই বিক্রি হচ্ছে চাল। তেলের দামও বেড়েছে। আর মাসের ব্যবধানে ৪০ টাকা বেড়ে পেঁয়াজের দাম ঠেকেছে ৯০ টাকায়। ক্যাব সভাপতি গোলাম রহমান বলেন, মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়েছে। দ্রব্যমূল্য বাড়ায় মানুষ অনেক কষ্টে আছে। বিশেষ করে নিম্ন ও মধ্যবিত্তদের জীবনধারণ অসহনীয় পর্যায়ে চলে গেছে।

 তিনি বলেন, একটি পণ্যের দাম বাড়লে সমস্যা নেই। সেটা হতেই পারে। কিন্তু এখন নিত্যপ্রয়োজনীয় সব পণ্যেই সাধারণের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে। ফলে জীবনযাত্রার ব্যয়ও বেড়ে গেছে। এর প্রভাব ফেলে মূল্যস্ফীতিতে। বাড়তি খরচ জোগাতে সীমিত আয়ের মানুষকে সঞ্চয় কমাতে হচ্ছে। যাদের সঞ্চয় নেই, তাদের পণ্য কেনার পরিমাণ কমাতে হচ্ছে। সাধারণ মানুষকে প্রয়োজনীয় খরচ কাটছাঁট করে চলতে হচ্ছে। এভাবে চলতে থাকলে জীবনযাত্রার ব্যয় মিটিয়ে সাধারণ মানুষের বেঁচে থাকা দায় হয়ে যাবে।

সরকারের সমালোচনা করে গোলাম রহমান বলেন, গত ছয় মাস ধরে সরকারকে আমরা বলছি চালসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মজুদ বাড়াতে। কারণ সরকারের মজুদ না থাকলে অসৎ ব্যবসায়ীরা পণ্যের দাম বাড়িয়ে সুযোগ নেন। কিন্তু সরকার তেমন কোনো পদক্ষেপ নেয়নি।