দেশের প্রথম আন্তর্জাতিক গ্রিন সার্টিফিকেট পেল পিএইচপি

এ ইয়ার্ডটি হলো হংকং কনভেনশন অনুযায়ী বাংলাদেশের প্রথম সুরক্ষামূলক শিপইয়ার্ড।

জাহাজভাঙাশিল্পে দেশের প্রথম আন্তর্জাতিক গ্রিন সার্টিফিকেট পেয়েছে পিএইচপি ফ্যামিলির মালিকানাধীন শিপইয়ার্ড। চট্টগ্রামের ভাটিয়ারীতে অবস্থিত পিএইচপি রিসাইক্লিং ইয়ার্ডে ‘নিরাপদ ও ভারসাম্যপূর্ণ পরিবেশে’ জাহাজ কাটার জন্য এ সার্টিফিকেট দিয়েছে আন্তর্জাতিক ক্ল্যাসিফিকেশন সোসাইটি (রিনা)।

লন্ডনভিত্তিক সংবাদমাধ্যম দি মেরিটাইম এক্সিকিউটিভ ও সাময়িকী ট্রেডউইন্ডস এ চলতি ২০১৭ সালের গত ১০ অক্টোবর এই গ্রিন সার্টিফিকেট দেওয়ার খবর প্রকাশিত হয়েছে। এ ধরনের আন্তর্জাতিক গ্রিন সার্টিফিকেট দেয় ভারত, জাপান ও ইতালির তিনটি প্রতিষ্ঠান। পিএইচপিকে স্বীকৃতি দেওয়া প্রতিষ্ঠান রিনা হলো ইতালির।

ইন্টারন্যাশনাল মেরিটাইম অর্গানাইজেশনের সেক্রেটারি জেনারেল কিট্যাক লিম চলতি বছরের শুরুতে পিএইচপি শিপইয়ার্ডটি পরিদর্শন করে বলেছেন, ‘এটি দেশের অন্যান্য ইয়ার্ডের জন্য রোলমডেল হতে পারে।’ তার এই মন্তব্য প্রকাশিত হয়েছে দ্য মেরিটাইম এক্সিকিউটিভ সাময়িকীতে। ট্রেডউইন্ডস-এ প্রকাশিত সংবাদপত্রে বলা হয়, চট্টগ্রামভিত্তিক এই শিপব্রেকিং ইয়ার্ডটি হলো প্রতিদ্বন্দ্বী ভারতীয় অন্য ইয়ার্ডের চেয়েও উন্নত ও অগ্রসর। এই প্রসঙ্গে পিএইচপি রিসাইক্লিং ইয়ার্ডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) জহিরুল ইসলাম রিংকু বলেন, ‘প্রায় ৩৫ কোটি টাকা খরচ করে শিপইয়ার্ডটি হংকং কনভেনশনের সব শর্ত পূরণ করে প্রস্তুত করা হয়েছিল। এরপর এটি পরিদর্শনের জন্য বিদেশিদের আমন্ত্রণ জানালে তারা শুরুতেই বাংলাদেশে এ রকম আধুনিক শিপইয়ার্ডের বিষয়টিকে গুরুত্বই দিতে চায়নি।

শিপইয়ার্ড পরিদর্শনে এসে ও অডিট করে শেষ পর্যন্ত তারা আমাদের গ্রিন ইয়ার্ডকে স্বীকৃতি দিয়েছে। এতে দেশের জাহাজভাঙাশিল্পে বড় অগ্রগতি হয়েছে।’