ঢাকায় বুধবার থেকে শুরু হচ্ছে সিপিএ সম্মেলন

কমনওয়েলথ পার্লামেন্টারি অ্যাসোসিয়েশনের (সিপিএ) ৬৩তম সম্মেলন বুধবার (১ নভেম্বর) থেকে ঢাকায় শুরু হচ্ছে। তবে এর উদ্বোধন হবে ৫ নভেম্বর রোববার সকালে। এরপর থেকে মূল কার্যক্রম শুরু হবে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তজার্তিক সম্মেলন কেন্দ্রে। ৮ নভেম্বর পর্যন্ত ঢাকায় সিপিএর এ সম্মেলন হবে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে জাতীয় সংসদের স্পিকার ও সিপিএ নির্বাহী কমিটির চেয়ারপারসন ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, সম্মেলনের সব প্রস্তুতি শেষ। অতিথিরা আসতে শুরু করেছেন। এ সম্মেলনের মাধ্যমে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি আরও উজ্জ্বল হবে।

জানা গেছে, উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শ্বাশত একখণ্ড বাংলাদেশে তুলে ধরা হবে আগত ছয় শতাধিক বিদেশি অতিথির মধ্যে। সেখানে থাকবে বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ। এ সম্মেলন ঘিরে বর্ণিল রঙে রাঙানো হচ্ছে জাতীয় সংসদ ও এর আশপাশ এলাকা। লাগানো হচ্ছে ব্যানার-ফেস্টুন। জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় ৫ নভেম্বর সকাল সাড়ে ১০টায় এ সম্মেলনের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এক হাজার ৫০০ জনকে আমন্ত্রণ জানানো হবে।

ব্রিটিনের রানী এলিজাবেথ এ উপলক্ষে বাণী পাঠাবেন বলে কথা রয়েছে। আর সেই বাণী পাঠ করে শোনাবেন সিপিএ নির্বাহী কমিটির চেয়ারপারসন ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। পদাধিকারবলে সিপিএর চিফ প্যান্ট্রন রানী এলিজাবেথ ও ভাইস প্যান্ট্রন হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

এ সম্মেলনে কমনওয়েলথভুক্ত ৫২ দেশ ও ১৮০টি সিপিএ ব্রাঞ্চের স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার, সংসদ সদস্য ও অন্যান্য প্রতিনিধিসহ প্রায় ছয়শত প্রতিনিধি অংশ নেবেন।

ইন্টার পার্লামেন্টারি ইউনিয়নের (আইপিইউ) সম্মলনের মতো এটিও সফল করার জন্য কাজ শুরু করেছে বাংলাদেশের সংসদ ও সিপিএ। সোমবার সংসদের শপথ কক্ষে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সব বিভাগের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। আগত বিদেশি অতিথিদের নিরাপত্তা দিতে ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে আইনশৃঙ্খলাবাহিনী।

এ বিষয়ে জাতীয় সংসদের ডেপুটি সার্জেন্ট অ্যাট আর্মস স্কোয়াড্রন লিডার এম সাদরুল আহমেদ খান বলেন, সিপিএ সম্মেলনে আগত অতিথিদের নিরাপত্তা দিতে বিশেষ ব্যবস্থা নেয়া হবে।