উভয় শেয়ারবাজারে সূচক বাড়লেও কমেছে লেনদেন

সূচক বাড়লেও কমেছে লেনদেন। ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স দশমিক ৮৩ পয়েন্ট বেড়ে ৫ হাজার ৯৯৬ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। আর চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের সার্বিক মূল্যসূচক সিএসসিএক্স ১০ পয়েন্ট বেড়ে ১১ হাজার ২২৮ পয়েন্ট হয়।

দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) এবং অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) মূল্যসূচকের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতায় দিন শেষ হয়েছে। তবে উভয় বাজারে কমেছে লেনদেনের পরিমাণ। ডিএসইর অপর দুটি মূল্যসূচকের মধ্যে ডিএসই-৩০ আগের দিনের তুলনায় ৬ পয়েন্ট বেড়ে ২ হাজার ১৬২ পয়েন্টে অবস্থা করছে। আর ডিএসই শরিহ্ সূচক ৪ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৩১০ পয়েন্টে।

ডিএসইতে লেনদেন হওয়া ১৪০টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার দাম আগের দিনের তুলনায় বেড়েছে। অপরদিকে দাম কমেছে ১৫২টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩৯টির দাম। লেনদেন হয়েছে ৫০৯ কোটি ৬৩ লাখ টাকা। আগের দিন লেনদেন হয় ৬৪০ কোটি ৮৫ লাখ টাকা। সে হিসাবে লেনদেন কমেছে ১৩১ কোটি ২২ লাখ টাকা।

টাকার অঙ্কে ডিএসইতে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে জেমিনি সিটি ব্যাংকের শেয়ার। এদিন কোম্পানির ১৮ কোটি ৭৯ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। লেনদেনে দ্বিতীয় স্থানে থাকা শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকের ১৪ কোটি ৫৬ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। ১৩ কোটি ৫২ টাকার শেয়ার লেনদেনে তৃতীয় স্থানে রয়েছে লংকাবাংলা ফাইন্যান্স। লেনদেনে এরপর রয়েছে- ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক, বিবিএস কেবলস, স্কয়ার ফার্মা, প্রাইম ব্যাংক, কেপিসিএল, ব্র্যাক ব্যাংক এবং সি ফুড।

অপর শেয়ারবাজার সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ২৯ কোটি ১৩ লাখ টাকা, যা আগের দিনের তুলনায় ৪৩ কোটি ৮৫ লাখ টাকা কম। বাজারটিতে লেনদেন হওয়া ২৪৬টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের মধ্যে ১০৭টির দাম আগের দিনের তুলনায় বেড়েছে। অপরদিকে দাম কমেছে ১১৩টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২৬টির দাম।