‘রং ও ভালোবাসা অথবা সময়ের ইফেক্ট’

মানুষের সাথে মানুষের দূরত্ব বাড়ছে। বিশ্বাস হারিয়ে যাচ্ছে। মানুষের জায়গা নিচ্ছে যন্ত্র। কর্পোরেট দুনিয়ায় যেন শুধু প্রতিযোগিতা। এই প্রতিযোগিতায় নেমে মানুষ এখন তার প্রেম ভালোবাসা মানবিক বোধ হারাতে বসেছে। ভিন্ন স্বাধের এমনই এক গল্প নিয়েই নির্মাণ হচ্ছে নাটক ‘রং ও ভালোবাসা অথবা সময়ের ইফেক্ট’।

‘রং ও ভালোবাসা অথবা সময়ের ইফেক্ট’1

পড়া-শুনা শেষ করতে না করতেই বাবার ব্যবসা নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পরে ইরা। তার পুরো জীবনটাই যেন এক কর্পোরেট প্রতিষ্ঠান! কর্পোরেট জীবনের ভেতরই নিজেকে বেধে ফেলেছে। নিজের বোধ অনুভূতির জন্য যে আলাদা কিছু সময দরকার সেই উপলব্ধিও ইরা হারিয়ে ফেলে কর্পোরেট প্রতিযোগিতায় ছুটতে গিয়ে। নিজের মুর্হুতগুলোকে যেন বিক্রি করে দিয়েছে সে স্টাটাস, সোসাইটি আর টাকার কাছে! এমনই এক মোহগ্রস্থ সময়ে তার সাথে পরিচয় হয় অদ্ভুত এক যুবকের। ওই যুবক নিজেকে রঙ নামে পরিচয় দেয়। সে নিজেকে এই পৃথিবীর প্রেম ভালোবাসার রঙের সন্তান দাবী করে। সে বলে হারিয়ে যাওয়া ভালোবাসাকে ফিরিয়ে দিতেই তার পৃথিবীতে আসা। রঙ ইরার সামনে নিয়ে আসে এক অদ্ভুত জগত। সেখানে জীবন বোধের গল্প, রঙয়ের গল্প, পাখির গল্প, মাটির গল্প…। রংয়ের প্রতি আস্তে আস্তে কৌতুহলী হয়ে পরে ইরা। জীবনকে আবিস্কার করতে থাকে নানা রুপের বর্ণচ্ছটায়। জীবন ইরার কাছে ফিরে আসে ভিন্ন এক অর্থ নিয়ে। হঠাত করেই একদিন নিরুদ্দেশ হয়ে যায় রঙ। অর্থ্যাত ইরার সাথে তার যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়। সে রঙকে খুঁজতে নামে। কিন্তু রঙয়ের দেখা পাবে কিনা তা সে জানেনা। খুঁজতে খুঁজতে ইরার কখনো মনে হয় রঙয়ের কোন অস্তিত্ব নেই! সবই তার কল্পনা। আসলেই কি রঙ নামে কেউ এসেছিলো তার জীবনে না কি এসবই ছিলো সময়ের ইফেক্ট?

‘রং ও ভালোবাসা অথবা সময়ের ইফেক্ট’1

নাটকটি রচনা করেছেন আবদুল্লাহ মাহফুজ অভি। পরিচালনা করেছেন মাহমুদ নিয়াজ চন্দ্রদ্বীপ এবং প্রযোজনায় খাইরুল হেলাল। নাটকে রংয়ের চরিত্রে অভিনয় করেছে আফরান নিশো। সহঅভিনেত্রী হিসেবে আছেন তানজিন তিশা। এছাড়াও  অভিনয় করেছেন দুখু সুমন, সাবরিন শারমিন,সাধন ও সম্রাট। উত্তরা ও আশুলিয়ার বিভিন্ন লোকেশনে এর শুটিং চলছে।