রিয়ালের আট`অপয়া`প্রতিপক্ষ

ইউরোপের শীর্ষ ক্লাবগুলোর এই টুর্নামেন্টে রেকর্ড ১২ বারের চ্যাম্পিয়ন রিয়াল মাদ্রিদ। তার চেয়েও বড় কথা, সর্বশেষ ৪ মৌসুমের মধ্যে ৩ বারই চ্যাম্পিয়ন তারা।  সর্বশেষ দুই আসরেরই শিরোপাজয়ী। ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন হিসেবে এবারও রিয়ালের শুরুটা হয়েছে দারুণ। গত ১৩ সেপ্টেম্বর নিজেদের ঘরের মাঠে রিয়াল ৩-০ গোলে হারিয়েছে অ্যাপোয়েলকে।

রিয়ালের আট`অপয়া`প্রতিপক্ষ…

বরুশিয়া ডর্টমুন্ড
এ পর্যন্ত মোট ছয়বারের দেখায় ডর্টমুন্ডের ঘরের মাঠ সিগন্যাল ইদুনা পার্কে একটিও জয় নেই রিয়ালের। উল্টো তিন বার হারতে হয়েছে। বাকি তিন বার ড্র করতে পেরেছে।

জুভেন্টাস
জুভেন্টাসের মাঠেও মোট ৬ বার খেলতে গেছে রিয়াল। এর মধ্যে ৫ বারই ইউরোপ-সেরাদের ফিরতে হয়েছে হার নিয়ে! বাকি একবার কোনো রকমে ড্র করতে পেরেছিল। পরিসংখ্যান বলছে, অ্যাওয়ে ম্যাচে রিয়ালের সবচেয়ে বাজে রেকর্ডটা জুভেন্টাসের বিপক্ষেই।

অলিম্পিয়াকোস
রিয়ালের বিপক্ষে নিজেদের ঘরের মাঠে নামলেই যেন ‘সেরা’ হয়ে উঠে অলিম্পিয়াকোস। গ্রিসের এই ক্লাবটির ঘরের মাঠে এ পর্যন্ত মোট ৪টি ম্যাচ খেলেছে রিয়াল। সেই ৪ ম্যাচের তিনটিতেই হারের স্বাদ পেয়েছে রিয়াল! বাকি একবার ড্র করতে পেরেছিল!

এসি মিলান
মিলানের ঘরের মাঠ সান সিরোতে মোট ৩ বার মিলানের মুখোমুখি হয়েছে রিয়াল। এর মধ্যে দুবারই ফিরতে হয়েছে হার নিয়ে। অন্য বার ড্র।

স্পার্টাক মস্কো
স্পার্টাক মস্কোর মাঠে মোট দুবার চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ম্যাচ খেলতে গেছে রিয়াল। সেই দুবারই তাদের ফিরতে হয়েছে হারের হতাশাকে সঙ্গী করে!

অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ
চ্যাম্পিয়ন্স লিগে এ পর্যন্ত দুবার অ্যাটলেটিকোর মাঠে খেলতে গেছে রিয়াল। দুবারের মধ্যে প্রথম বার তবু গোলশূন্য ড্র করতে পেরেছিল। শেষ বার ফিরতে হয়েছে ২-১ গোলে হার নিয়ে।

ল্যাজিও
এ পর্যন্ত মোট দুবার লাজিওর মাঠে খেলেছে রিয়াল। দুবারই ফিরতে হয়েছে ড্র নিয়ে।

ম্যানচেস্টার সিটি
মোট দুবার ম্যানচেস্টার সিটির মাঠে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ম্যাচ খেলতে গেছে রিয়াল। কিন্তু একবারও জয়ের দেখা পায়নি। দুবারই পুড়তে হয়েছে ড্র হতাশায়।

এবার লিগে অ্যাওয়ে ম্যাচেই বেশী ভালো করছে রিয়াল। জিতেছে ৩ ম্যাচেই। সেই সঙ্গে আছে টানা ৩৩টি অ্যাওয়ে ম্যাচে গোল করার রেকর্ড। আজ সিগনাল ইদুনা পার্কে অনুপ্রেরণা হিসেবে এই টানা গোল  করার ব্যাপারটি ভালো কাজে লাগবে।