শশ্মান থেকে ছদ্মবেশী ‘ধর্ষক’ বাবা গ্রেফতার

সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ক্রমেই সামনে আসছে এরাজ্যের ‘ধর্ষক’ ভণ্ড বাবাদের কাহানি! ধর্ষণের অভিযোগে জেলে গিয়েছেন বাবা রামরহিম। ছত্তীসগঢ়ের তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগে অভিযুক্ত ফলাহারি বাবা। বৃন্দাবনের আশ্রমে বনগাঁর তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার সাধু গোবিন্দ মহন্ত। আইনের হাত থেকে রেহাই পাননি কোনও বাবাই-ই। অবশেষে দেড় বছর পর সাধুর ছদ্মবেশে তারাপীঠে আত্মগোপন করে থাকা ‘ধর্ষক’ বাবাকে গ্রেফতার করল পুলিশ। ধৃত ব্যক্তির নাম অশোক পাল। বাড়ি, হুগলির মগরার ডেরিকুঠি এলাকায়।

হুগলির মগরার ডেরিকুঠি এলাকার বাসিন্দা অশোক পালের বাড়িতে ভাড়া থাকত একটি পরিবার। অভিযোগ, টিভি দেখানোর নাম করে তাদের শিশুকন্যাকে নিজের ঘরে নিয়ে যান অশোক। সেখানেই শিশুকন্যার ওপর যৌন নির্যাতন চালান তিনি। পুলিশে অভিযোগ দায়েরের পরই বেপাত্তা হয়ে যান অশোক। দেড় বছরেরও বেশি সময় তাঁর খোঁজ পায়নি পুলিশ। পুলিশের দাবি, ক’দিন আগে গোপন সূত্রে খবর আসে, তারাপীঠে সাধুর ছদ্মবেশে রয়েছেন অভিযুক্ত। শনিবার তাঁকে তারাপীঠ শ্মশান থেকে গ্রেফতার করা হয়। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ধৃত। ধৃতকে ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে চুঁচুড়া আদালত।

শিশুকন্যার কাছ থেকে ঘটনা শোনার পর ওই পরিবারের তরফে অশোক পালের বিরুদ্ধে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ দায়ের করা হয় মগরা থানায়। তারপর থেকেই পলাতক ছিল অভিযুক্ত। সম্প্রতি পুলিশ জানতে পারে যে অভিযুক্ত সাধুর ছদ্মবেশে তারাপীঠের শ্মশানে আত্মগোপন করে আছে ওই ব্যক্তি। এরপরই রামপুরহাট থানার সহযোগিতায় মগরা থানার পুলিশ শনিবার রাতে তারাপীঠ শশ্মান থেকে তাকে গ্রেফতার করে। শশ্মান থেকে ছদ্মবেশী ‘ধর্ষক’ বাবা গ্রেফতার হতেই এলাকায় শোরগোল পড়ে গিয়েছে তারাপীঠে।