টেলিকম খাতে নৈরাজ্য দূর করা প্রয়োজন: মহিউদ্দীন আহমেদ 

২০১৩ সালে থ্রি-জি প্রযুক্তি সেবা চালু হলেও এ পর্যন্ত ৭০ শতাংশ গ্রাহক এ সেবা থেকে বঞ্চিত। তাই ফোর-জি চালুর আগেই টেলিকম খাতে নৈরাজ্য দূর করা প্রয়োজন বলে উল্লেখ করেছে বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক এসোসিয়েশন।

শনিবার বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক এসোসিয়েশনের সভাপতি মহিউদ্দীন আহমেদ এক বিবৃতিতে এসব বিষয় উল্লেখ করেন।এসব বিষয়ের কারণ হিসেবে মহিউদ্দীন আহমেদ বলেন, মূলত পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণ ও জনসচেতনতার অভাব, ধীর গতির ইন্টারনেট সেবা, ইন্টারনেটের উচ্চমূল্য, নেটওয়ার্ক দুর্বলতা, কলড্রপের পরিমাণ বেশি থাকা, থ্রি-জি সাপোর্টযুক্ত হ্যান্ডসেটের উচ্চ মূল্য, কলরেটের উচ্চ হার, প্যাকেজের নামে প্রতারণা, যত্রতত্রভাবে সিম বিক্রি, এমন কি সীমান্তের ওপারে মুঠোফোন সংযোগ থাকায় সিম বিক্রির প্রবণতা।

সরকার ইতোমধ্যেই ফোর-জি বা চতুর্থ প্রজন্মের টেলিকম সেবা চালুর নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে, যা আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে। কিন্তু এ খাতের বিকাশের সঙ্গে সঙ্গে সেক্টরটির নৈরাজ্য ও বিশৃঙ্খলাও চরমে পৌঁছেছে। বর্তমানে এ খাতের শতভাগ গ্রাহকই টেলিকম খাতের মান নিয়ে অসন্তুষ্টি ও চরম ভোগান্তিতে আছে।

তিনি বলেন,যদিও অপারেটররা বলছে থ্রি-জি চালুর জন্য তারা ৩০ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছে। কিন্তু বাস্তবে গ্রাহকরা এ বিনিয়োগের বিন্দুমাত্র সুফল পায় নাই। প্রকৃতপক্ষে তাদের এ বিনিয়োগ নিয়েও গ্রাহকদের মনে সন্দেহ রয়েছে।