চেহারা স্ক্যান করলে টয়লেট থেকে বের হবে টিস্যু

পুরো চীনেই নানা কাজে ব্যবহার হচ্ছে ফেশিয়াল রিকগনিশন। বেইজিংয়ের ‘টেম্পল অব হ্যাভেন’ তাদের টয়লেটের টিস্যু চুরি রোধে এ প্রযুক্তি ব্যবহার করছে। এই প্রযুক্তি জিনান শহরের বিভিন্ন সুপার মল, ট্রাফিক সেবায় ও ইভটিজারদের ধরতেও ব্যবহার হচ্ছে। এছাড়া কিছু বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের হাজিরাসহ নানা কাজে এই প্রযুক্তি ব্যবহার করছে।

২০১৫ সালে প্রথম সেনজেন শহরে এই সেবা চালু করেছিল চায়না মার্চেন্ট ব্যাংক। পরে তারা চীনের ১০৬টি শহরে ১০০০ বুথ স্থাপন করেছে। এগ্রিকালচারাল ব্যাংক অব চায়না তার গ্রাহকদের এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে দিনে সর্ব্বোচ ৪৫৭ মার্কিন ডলারের সমপরিমাণ অর্থ তুলতে দিচ্ছে।

কিছু অসুবিধাও দেখা গেছে গ্রাহকদের মধ্যে এই প্রযুক্তির বুথগুলোতে। বয়স্ক লোকদের চেহারা স্ক্যানে কিছুটা ঝামেলা হয়, এছাড়া বহুদিনের অভ্যাস কার্ড ব্যবহার অনেকে ছাড়তে সাহস পাচ্ছেন না। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এইসব সমস্যা ও মানসিকতা পরিবর্তন হবে বলে জানিয়েছে স্মার্ট সিটি রিসার্চ সেন্টারের কর্মকর্তা ইয়ান গ্যান।

কিছুদিনের মধ্যে ফেশিয়াল রিকগনিশনের মাধ্যমে ব্যাংকিং অনেকটা মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মতো জনপ্রিয় হবে বলে আশাকরছেন ইয়ান।