উত্তর কোরিয়ার উপকূলে মার্কিন বোমারু বিমান

যুক্তরাষ্ট্র ও উত্তর কোরিয়া সাম্প্রতিক সময়ে পরস্পরকে হুমকি দিয়ে কথা বলেছে। পেন্টাগনের মুখপাত্র ডানা হোয়াইট বলেন, যেকোনও হুমকি মোকাবেলায় ডোনাল্ড ট্রাম্পের সামরিক পদক্ষেপের উদাহরণ ছিলো এটা।

মঙ্গলবার জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছিলেন, নিজেদের ও মিত্রদের রক্ষায় প্রয়োজনে উত্তর কোরিয়াকে ‘ধ্বংস’ করবে যুক্তরাষ্ট্র।

হোয়াইট বলেছেন, উত্তর কোরিয়ার এত কাছে আর কোনও মার্কিন বোমারু বিমান উড়ে যায়নি। আমরা উত্তর কোরিয়ার আচরণ খুবই গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছি।’ জাতিসংঘে উত্তর কোরীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ভাষণের কিছুক্ষণ আগেই এই ঘোষণা দেয় পেন্টাগন।

পেন্টাগন জানায়, উত্তর কোরিয়ার বিরুদ্ধে সামরিক ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের হাতে বিভিন্ন বিকল্প আছে, তা দেখাতেই বোমারু বিমানের ওই উড্ডয়ন। এদিকে চীন গতকাল জানায়, তারা উত্তর কোরিয়ায় তেল সরবরাহ কমিয়ে আনবে এবং দেশটি থেকে টেক্সটাইল পণ্য কিনবে না। পিয়ংইয়ংয়ের ওপর জাতিসংঘের নতুন নিষেধাজ্ঞা জারির পর গতকাল চীনের পক্ষ থেকে এ কথা জানানো হলো।

এক বিবৃতিতে চীনের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় বলেছে, পিয়ংইয়ংয়ে পরিশোধিত পেট্রলিয়াম পণ্য রপ্তানি এবং প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহ আগামী অক্টোবর থেকে কমিয়ে আনা হবে। অর্থাৎ, উত্তর কোরিয়ার ওপর জাতিসংঘের নিষেধাজ্ঞার আওতায় যে পরিমাণ তেল ও গ্যাস দেশটিতে সরবরাহ করা যাবে, সেই পরিমাণই চীন সরবরাহ করবে। এ মাসে উত্তর কোরিয়ার সর্বশেষ পরমাণু পরীক্ষার জেরে দেশটির ওপর নতুন নিষেধাজ্ঞা জারি করে জাতিসংঘ। উত্তর কোরিয়ায় তেল সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ করতে যুক্তরাষ্ট্রের তোলা প্রস্তাবটি প্রাথমিকভাবে বিরোধিতা করেছিল চীন ও রাশিয়া। পরে তেল সরবরাহ কমিয়ে আনার প্রস্তাবে তারা সম্মত হয়।

নিভৃতকামী দেশ উত্তর কোরিয়ার অন্যতম বাণিজ্য সহযোগী চীন।