বস্ত্র খাতে বেড়েছে নগদ সহায়তা সুবিধা 

গত সোমবার এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। প্রজ্ঞাপনে স্বাক্ষর করেন বৈদেশিক মুদ্রানীতি বিভাগের উপ-মহাব্যবস্থাপক আব্দুল মান্নান।

বস্ত্র খাতের কম্পোজিট (যারা একই সঙ্গে ফেব্রিকস ও পোশাক তৈরি করেন) মিলের রপ্তানিকারকরা নিজস্ব প্রতিষ্ঠান ছাড়া অন্য প্রতিষ্ঠান থেকে বস্ত্র তৈরি করলেও এখন থেকে নগদ সহায়তা পাবেন। আগে শুধু নিজস্ব প্রতিষ্ঠানে বস্ত্র তৈরি করলে এ সহায়তা পেতেন। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, রপ্তানিমুখী কম্পোজিট তৈরি পোশাক উৎপাদনকারী-রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান অভ্যন্তরীণ ব্যাক টু ব্যাক ঋণপত্রের (এলসি) মাধ্যমে বিটিএমএ সদস্য মিল থেকে সুতা সংগ্রহ করে অন্য প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে উৎপাদিত বস্ত্র থেকে প্রস্তুতকৃত পোশাক রপ্তানির বিপরীতে সংশ্লিষ্ট প্রাপক পক্ষ নগদ সহায়তা পাবে। এরই প্রেক্ষিতে আবেদন ফরম ‘খ’ তে প্রয়োজনীয় সংশোধনী আনা হয়েছে।

এ সিদ্ধান্ত গত বছরের ২৯ ডিসেম্বর জারিকৃত পণ্যের রপ্তানির বিপরীতে নগদ সহায়তার আবেদনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে। তবে যে সকল ক্ষেত্রে ইতিমধ্যে আবেদনপত্র দাখিলের নির্ধারিত ১৮০ দিনের সময়সীমা অতিক্রান্ত হয়েছে, সে সকল ক্ষেত্রে এ প্রজ্ঞাপন জারির ৪৫ দিনের মধ্যে আবেদন দাখিল করা যাবে। এছাড়া এ সংক্রান্ত আগের সব নির্দেশনা অপরিবর্তিত থাকবে।