লেনদেন শুরুর পরই সূচক নিম্নমুখী

বাজার পর্যালোচনায় দেখা যায়, লেনদেন শুরুর পর থেকেই সূচক নিম্নমুখী হয়। পরে সূচক সামান্য বাড়লেও পরে ধারাবাহিকভাবে কমেছে।

টানা কয়েক দিন সূচক ও লেনদেন বাড়ার পর পুঁজিবাজারে দরপতন হয়েছে। সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবস গতকাল বুধবার ব্যাংক খাতে বড় সংশোধন হয়েছে। এর আগে টানা কয়েক দিন ব্যাংকে ভর করেই হু হু করেই এগোচ্ছিল বাজার। ব্যাংক শেয়ারে সংশোধন হলেও ডিএসইতে লেনদেনের ৪৭ শতাংশই এ খাতের। আর সিএসইতে সূচক কমার সঙ্গে কমেছে লেনদেনের পরিমাণও। সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবস গতকাল বুধবার ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে এক হাজার ৮২ কোটি টাকা। আর সূচক কমেছে ৬৩.৬৭ পয়েন্ট। আগের দিন লেনদেন হয়েছিল এক হাজার ৫০৮ কোটি ৭৩ লাখ টাকা। সেই হিসাবে লেনদেন কমেছে ৪০০ কোটি টাকার বেশি।

আইডিএলসির বাজার পর্যবেক্ষণ বলছে, ব্যাংক খাতের কম্পানির শেয়ারে মুনাফা তুলে নেওয়ায় বাজার সংশোধন হয়েছে। ডিএসইর প্রধান সূচকে ১ শতাংশ বা ৬৩ পয়েন্ট কমেছে। মাত্র দুটি ব্যতীত সব ব্যাংকের শেয়ারের দাম কমেছে। এই খাত ২.৩ শতাংশ দর হারিয়েছে। তবে ব্যাংক খাতের সর্বমোট লেনদেন ৫০০ কোটির বেশি, যা আগেরদিন ছিল সাড়ে ৭০০ কোটির ওপরে।

দিনশেষে সূচক দাঁড়িয়েছে ছয় হাজার ১৭২ পয়েন্ট। ডিএস-৩০ মূল্যসূচক ১৫ পয়েন্ট কমে দুই হাজার ১৯৮ পয়েন্ট ও ডিএসইএস শরিয়াহসূচক ৯ পয়েন্ট কমে এক হাজার ৩৬৬ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। লেনদেন হওয়া ৩৩০ কম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ৮৬টির, কমেছে ২০৬টির ও অপরিবর্তিত রয়েছে ৩৮ কম্পানির শেয়ারের দাম।