শেয়ারবাজারে আসছে সরকারি ২৫ কোম্পানি

২০১৮ সালের জুনের মধ্যে ওই সব প্রতিষ্ঠানকে শেয়ার ছাড়ার সর্বশেষ সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে। এই এক বছর প্রতিষ্ঠানগুলোর কর্মকা- নিবিড়ভাবে তদারক করা হবে।

সরকারি মোট ২৫টি কোম্পানির শেয়ার বাজারে ছাড়ার সিদ্ধান্ত হয়েছিল ২০১০ সালে। সাত বছর পার হলেও কোম্পানিগুলো শেয়ার ছাড়তে পারেনি। কবে ছাড়া হতে পারে, সেটিও নিশ্চিত করে কেউ বলতে পারছেন না। কোম্পানিগুলোর মধ্যে অন্যতম বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন কোম্পানি লিমিটেড বা বিটিসিএল, সোনারগাঁও হোটেল, ছাতক সিমেন্ট ফ্যাক্টরি, লিকুফাইড পেট্রোলিয়াম গ্যাস লিমিটেড বা এলপিজিএল, সিলেট গ্যাস ফিল্ড, নর্থওয়েস্ট পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি, বাখরাবাদ গ্যাস ট্রান্সমিশন ও ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড, গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানি লিমিটেড, জালালাবাদ গ্যাস সিস্টেম লিমিটেড, পশ্চিমাঞ্চল গ্যাস কোম্পানি লিমিটেড, বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ড লিমিটেড, রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানি লিমিটেড। এ কোম্পানিগুলোর মধ্যে নয়টি জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের। বিদ্যুৎ বিভাগের চারটি। পাঁচটি শিল্প মন্ত্রণালয়ের। পর্যটন মন্ত্রণালয়ের তিনটি। এ ছাড়া ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের চারটি।

অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, অর্থ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মুসলিম চৌধুরীর নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। প্রতি দুই মাস পর কমিটি বৈঠক করে কোম্পানিগুলোর শেয়ার ছাড়ার অগ্রগতি পর্যালোচনা করবে। কমিটির অন্য সদস্যরা হচ্ছেন- পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি, জ্বালানি মন্ত্রণালয়, বিদ্যুৎ বিভাগ ও বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন বা আইসিবির প্রতিনিধি। সূত্র বলেছে, এসব প্রতিষ্ঠানের আর্থিক অবস্থা উম্নতির জন্য প্রয়োজনে অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে আলাদা বরাদ্দ দেওয়া হবে।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের সাবেক সভাপতি রকিবুর রহমান মনে করেন, সরকারি মালিকানাধীন এসব প্রতিষ্ঠানের বেশির ভাগ ব্যবস্থাপনা ভালো নয়। ব্যবস্থাপনায় দক্ষতা না বাড়িয়ে আইপিওতে আনা ঠিক হবে না বলে মনে করেন তিনি।