রোহিঙ্গাদের দুঃখে কেঁদে ফেলেন ওবায়দুল কাদের

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, আশ্রিত এত মানুষ তারা কতদিন ধরে অর্ধাহার-অনাহারে রয়েছে। কতদিন ধরে ঘুমায়নি। সারারাত বৃষ্টি হয়েছে, এতে তাদের কষ্ট আরও বেড়েছে। তারা যে কত অসহায়। আসুন আমরা অসহায় নির্যাতিত এসব রোহিঙ্গা মানুষের পাশে দাঁড়াই।

তিনি বলেন, যেভাবে পারি সেভাবে তাদের সাহায্য করি। অন্য কোনো স্লোগান নয়, ‘মানুষ মানুষের জন্য’ এটাই আজ আওয়ামী লীগের স্লোগান। মঙ্গলবার দুপুরে কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার উনচিপ্রাং এলাকায় নির্যাতিত রোহিঙ্গাদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ শেষে এসব কথা বলেন সেতুমন্ত্রী।

এর আগে মন্ত্রী সোমবার সারাদিন উখিয়ার কুতুপালং ও বালুখালীতে ত্রাণ বিতরণসহ নানা কাজে ব্যস্ত ছিলেন। মঙ্গলবার টেকনাফে ত্রাণ বিতরণ করতে যান তিনি। ত্রাণ বিতরণকালে বৃষ্টিতে ভেজা কাদায় মাখা রোহিঙ্গাদের অবস্থা দেখে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন সেতুমন্ত্রী। এ সময় রোহিঙ্গা মানুষের দুঃখের কথা বর্ণনা করে কেঁদে ফেলেন তিনি।

মুক্তিযুদ্ধের সময় আমরা শরণার্থী ছিলাম উল্লেখ করে সেতুমন্ত্রী বলেন, আশ্রিত মানুষগুলো কতদিন ধরে অর্ধাহার-অনাহারে দিন কাটাচ্ছে। কতদিন ধরে ঘুমায়নি। দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে এখানে আশ্রয় নিয়েছে। আজ কাদামাটি শরীরে ত্রাণ নিতে এসেছে। আসলে দুঃখ-কষ্ট বর্ণনা করার মতো নয়। এ সময় তিনি রোহিঙ্গাদের পাশে দাঁড়াতে বিশ্ববাসীকে আহ্বান জানান।

ত্রাণ বিতরণকালে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাংগঠনিক সম্পাদক এনামুল হক শামীম, ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, সংসদ সদস্য আশেক উল্লাহ রফিক, আবদুর রহমান বদি, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট সিরাজুল মোস্তফা, সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান. ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুল হায়দার চৌধুরী রোটন, বর্তমান সাধারণ সাধারণ সম্পাদক এসএম জাকির হোসাইন, উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি সাবেক এমপি অধ্যাপক মোহাম্মদ আলী ও সাধারণ সম্পাদক নুরুল বশর।