রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে হ্যান্ডসেট আমদানি

সরকারি রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে বছরে অবৈধ পথে প্রায় ৫০ লাখ মোবাইল হ্যান্ডসেট দেশের বাজারে ঢুকছে।সম্প্রতি বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উল্লেখ করা হয়। এর আগে আমদানিকারকরা বলে আসছিলেন মোট হ্যান্ডসেটের ২০ শতাংশ আসে অবৈধ পথে।

তারা বলছেন, এই চোরাই মোবাইলে সরকার কোনো রকম রাজস্ব পায় না। আর দিন দিন সরকার আমদানির ওপর ট্যাক্স যত বাড়াচ্ছে ততই চোরাই পথে হ্যান্ডসেট আমদানি উৎসাহিত হচ্ছে।বর্তমানে আমদানি শুল্ক, ভ্যাট, আমদানিকরদের অগ্রিম আয়করসহ নানা খাতে প্রায় ৩২ শতাংশ ট্যাক্স আছে মোবাইল ফোনের ওপর। ফলে বিটিআরসির তথ্য অনুসারে ৫০ লাখ হ্যান্ডসেট যদি অবৈধ পথে ঢোকে তার বিপরীতে ট্যাক্সের পরিমান বিবেচনায় সরকারের লোকসানের পরিমান অনেক বেশি-এমনটাই বলছিলেন এক আমদানিকারক।

তিনি বলেন, মূলত বেশি দামের হ্যান্ডসেটগুলোই অবৈধপথে দেশে প্রবেশ করে। ফলে একেকটি সেটের বিপরীতে সরকারের লোকসানও হয় অনেক।আমদানিকারকদের সংগঠন বাংলাদেশ মোবাইল ফোন ইম্পোটার্স অ্যাসোসিয়েশনের হিসাবে অনুসারে ২০১৬ সালে সব মিলে তিন কোটি ১০ লাখ হ্যান্ডসেট আমদানি করা হয়েছে। যার মধ্যে ৮২ লাখ স্মার্টফোন।

অবশ্য বিটিআরসি বলছে, দেশে বছরে বৈধপথে হ্যান্ডসেট আমদানি হচ্ছে আড়াই থেকে তিন কোটি। যার বাজার মূল্য আট হাজার কোটি টাকা।