আগুয়েরোর হ্যাটট্রিক, ৬-০ গোলে পরাজিত ওয়ার্টফোর্ড

চ্যাম্পিয়ন্স লিগে তিন দিন আগেই নিজেদের শক্তি প্রদর্শণ করেছিল পেপ গার্দিওলার দল ম্যানচেস্টার সিটি। ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে ফিরে এসে এবার ওয়ার্টফোর্ডের মাঠে গিয়ে তাদেরকেই হাফ ডজন গোল দিলো ম্যানসিটি। হ্যাটট্রিক করলেন সার্জিও আগুয়েরো। বাকি তিন গোল করলেন গ্যাব্রিয়েল জেসুস, নিকোলাস ওতামেন্দি এবং রাহিম স্টার্লিং।

হ্যাটট্রিকের সঙ্গে একটি মাইলফলকের কাছাকাছি পৌঁছে গেছেন সার্জিও আগুয়েরো। ম্যানসিটির হয়ে সর্বোচ্চ ১৭৭ গোল রয়েছে এরিক ব্রুকসের। ১৯৩৯ সালের পর থেকে এই রেকর্ড নিয়ে সবার ওপরে স্থান ব্রুকসের। অবশেষে ৭৮ বছর পর এসে সেই রেকর্ডের কাছাকাছি আগুয়েরো। তার গোল সংখ্যা এখন ১৭৫। এরিক ব্রুকসের রেকর্ড পার হতে হলে আর মাত্র তিনটি গোল প্রয়োজন আর্জেন্টাইন এই সুপারস্টারের।

নিজেদের মাঠে ওয়ার্টফোর্ড খেলতে নেমেছিল, ১৯৮২ সালের পর পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে ওঠার মিশনে। কারণ, ম্যানসিটিকে হারাতে পারলেই আপাতত শীর্ষে উঠে যেতো তারা। কিন্তু স্বপ্ন তাদের স্বপ্নই থেকে গেলো। ঘরের মাঠে ৬-০ গোলে পরাজিত হলো তারা।

২৭ মিনিটে গোলের সূচনা করেন সার্জিও আগুয়েরো। কেভিন ডি ব্রুইনের ক্রস থেকে ভেসে আসা বলে দারুন এক হেডে ওয়ার্টফোর্ডের জালে বল জড়ান তিনি। চার মিনিট পর (৩১ মিনিটে) আবারও গোল। এবারও গোলদাতা আগুয়েরো। ডেভিড সিলভার পাস থেকে বল পেয়ে ডান পায়ের দুর্দান্ত এক শটে দ্বিতীয় গোলটি করেন তিনি।

৩৭ মিনিটে তৃতীয় গোল করে বসে ম্যানসিটি। এবার গোলদাতা গ্যাব্রিয়েল জেসুস। এই গোলের জোগানদাতা আগুয়েরো। তার কাছ থেকে বল পেয়ে বাম কোন থেকে ওয়ার্টফোর্ডের জালে বল জড়ান জেসুস। ৩-০ ব্যবধানে শেষ হয় খেলার প্রথমার্ধ।

খেলার ৬৩ মিনিটে চতুর্থ গোল করে ম্যানসিটি। এই গোলটির কারিগর নিকোলাস ওতামেন্দি। ডেভিড সিলভার ক্রস থেকে ভেসে আসা বলে দারুণ এক হেডে গোলটি করেন ওতামেন্দি।

৮১ মিনিটে এসে হ্যাটট্রিক পূরণ করে ফেলেন সার্জিও আগুয়েরো। কাইল ওয়াকারের পাস থেকে বল পেয়ে ডান পায়ের শট নেন আগুয়েরো। সেটিই গিয়ে জড়িয়ে যায় ওয়ার্টফোর্ডের জালে। ৮৯ মিনিটে হাফ ডজন পূর্ণ করেন রাহিম স্টার্লিং। পেনাল্টি থেকে গোলটি করেন তিনি।

৩ ম্যাচে ১৩ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে রয়েছে ম্যানচেষ্টার সিটি। ৪ ম্যাচে ম্যানইউর পয়েন্ট ১০। চেলসির পয়েন্ট ৯ এবং ওয়ার্টফোর্ডের পয়েন্ট ৮।