গোসল করতে গিয়ে খালেদ মাসুদ পাইলটের বাবার আকস্মিক মৃত্যু!

বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক খালেদ মাসুদ পাইলটের বাবা শামসুল ইসলাম মোল্লা পুকুরে ডুবে মারা গেছেন। রোববার বেলা পৌনে ২টার দিকে নগরীর সাগরপাড়া এলাকার পুকুর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। খালেদ মাসুদ পাইলটের বাড়ি নগরীর সাগরপাড়া এলাকা এলাকায়। তার বাবা শামসুল ইসলাম মোল্লা সাবেক জাতীয় ফুটবলার ছিলেন।

পাইলটের চাচা রফিকুল ইসলাম খোকন বলেন, বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বাড়ির পাশের কালিপুকুরে গোসল করতে যান শামসুল ইসলাম। দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত বাড়িতে না ফেরায় সন্দেহ হয় পরিবারের। পরে স্থানীয়দের নিয়ে তল্লাশি শুরু করা হয় পুকুরে। খবর পেয়ে দমকল কর্মীরা গিয়ে তাকে উদ্ধার করেন। পরে পুকুর পাড়েই কমিউনিটি মেডিকেলের চিকিৎসক ও রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সহযোগী অধ্যাপক চিন্ময় কান্ত দাস তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তিনি আরও বলেন, পাইলট বর্তমানে ঢাকায় অবস্থান করছেন। বাবার মৃত্যুর সংবাদে রাজশাহীর উদ্দেশে রওনা হয়েছেন।

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সহযোগী অধ্যাপক চিন্ময় কান্ত দাস বলেন, খবর পেয়ে সেখানে গিয়ে পুকুর পাড়েই শামসুল ইসলামকে পরীক্ষা করা হয়। উদ্ধারের আগেই তার মৃত্যু হয়েছে। ক্রিকেটার পাইলটের বাবা শামসুল ইসলাম শামসু মোল্লার বয়স হয়েছিল ৭৩ বছর। ষাট ও সত্তরের দশকে ঢাকা লিগে মোহামেডান ও আবাহনীর হয়ে খেলার দিনগুলোতে তাকে সবাই চিনত শামসু নামে।

তখনকার পূর্ব পাকিস্তান থেকে পাকিস্তানের জাতীয় দলে সুযোগ পাওয়া দ্বিতীয় খেলোয়াড় ছিলেন তিনি। পাকিস্তান যুব দলের হয়ে ১৯৬৫ সালে রাশিয়াতেও গিয়েছিলেন খেলতে। ক্রিকেটার পাইলটের বাবা শামসুল ইসলাম শামসু মোল্লার বয়স হয়েছিল ৭৩ বছর। ষাট ও সত্তরের দশকে ঢাকা লিগে মোহামেডান ও আবাহনীর হয়ে খেলার দিনগুলোতে তাকে সবাই চিনত শামসু নামে।

তখনকার পূর্ব পাকিস্তান থেকে পাকিস্তানের জাতীয় দলে সুযোগ পাওয়া দ্বিতীয় খেলোয়াড় ছিলেন তিনি। পাকিস্তান যুব দলের হয়ে ১৯৬৫ সালে রাশিয়াতেও গিয়েছিলেন খেলতে। রাজশাহী সদর ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার ফরহাদ হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।