‘বন্যায় কন্যা শিশুরা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে’

মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ চুমকি বলেছেন, দুর্যোগ ও বন্যায় সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে আছে কন্যা শিশুরা। বন্যা ও প্রাকৃতিক দুর্যোগে অনেক সময় তারা পুনর্বাসন কেন্দ্র অথবা নিজ গৃহে যৌন নির্যাতনের শিকার হয়। এ বিষয়ে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ সকলকে সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে।

বুধবার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে ওয়ার্ল্ড ভিশন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও খাদ্য অধিকার বাংলাদেশের যৌথ আয়োজনে সামাজিক নিরাপত্তা কার্যক্রম বাস্তবায়ন নীতি ও অভিজ্ঞতা বিষয়ক কনভেনশনে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন।

খাদ্য অধিকার বাংলাদেশ ও পিকেএসএফের চেয়ারম্যান ড. কাজী খলীকুজ্জামান আহমেদের সভাপতিত্বে কনভেনশনে আরও উপস্থিত ছিলেন সমাজসেবা অধিদফতরের মহাপরিচালক গাজী মোহাম্মদ নুরুল কবির, বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণার সিনিয়র রিচার্স ফেলো ড. নাজনীন আহমেদ, ইউরোপীয় ইউনিয়নের রুরাল ডেভেলপমেন্টের টিম লিডার ডোরসে ভোসে, খাদ্য অধিকার বাংলাদেশের সাধারণ সম্পাদক মহলিন আলী প্রমুখ।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, দারিদ্র বিমোচন বর্তমান সরকারের প্রথম ও প্রধান উদ্দেশ্য। এ জন্য সরকার সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি জোরদার করা হয়েছে। এ খাতে সরকারের ব্যয় হবে ৫৪ হাজার কোটি টাকা। যা বাজেটের ১৩ শতাংশ। তিনি বলেন, কোনো বিশেষ সম্প্রদায় ও দলের লোককে পিছিয়ে রাখলে দেশ দরিদ্রমুক্ত করা যাবে না। সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির সুবিধাভোগী নির্বাচনে সকলকে সমান দৃষ্টিতে দেখতে হবে। তিনি আরও বলেন, সুবিধাভোগী নির্বাচনে অনেক সময় দেখা যায় একই পরিবারের একাধিক ব্যক্তি বিভিন্ন সুবিধা নিচ্ছেন। অথচ অনেক পরিবারের কেউই কোনো সুবিধা পাচ্ছেন না।

এ বিষয়ে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের আরও সচেতন এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে। এ সমস্যা সমাধানে সরকার একটি ডাটাবেজ তৈরির কাজ করছে। কানভেনশনে ৭টি দাবি উত্থাপন করা হয়।