দিনাজপুরে বন্যার্তদের মাঝে ত্রান বিতরন করেন প্রধানমন্ত্রী

“বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থদের পূর্নবাসন সহ কৃষকদের ক্ষেতের ফসল রক্ষায় সকল পদক্ষেপ নেবে সরকার” ২০আগষ্ট ররিবার দিনাজপুর বিরলের তেঘড়া নিন্ম মাধ্যমিক উচ্চ বিদ্যালয়ে বন্যার্তদের মাঝে ত্রান বিতরনের সময় একথা বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, আবহায়ার পূবাভাস পাওয়ার সাথে সাথে আমাদের করনীয় আমরা ঠিক করলাম এবং বন্যায় কি কি ক্ষতি হয় তার উপর দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহন করার পাশাপাশি কৃষকদের ফসল নষ্ট হয়ে খাদ্যে প্রভাব ফেলতে যাতে না পারে সেদিকে দৃষ্টি দিয়েছি। হাওড়ে ফসলের ক্ষতির কারনে বিদেশ থেকে ১৫লক্ষ মেট্রিক টন খাদ্য আমদানী শুরু করে দিয়েছি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বন্যায় যাদের ঘরবাড়ি নষ্ট হয়ে গেছে তাদের খাশ জমিতে পূনর্বাসন করা হবে। প্রয়োজনে জায়গা কিনে বাড়ি তৈরী করে দেয়া হবে। একটি মানুষও গৃহহারা থাকবে না।

এছাড়াও প্রধানমন্ত্রী ১৫আগষ্ট ১৯৭৫ সালের রক্তাক্ত দিনের কথা স্বরণ করে বলেন, আমার বাবা জাতির জনক বঙ্গবন্ধুসহ পরিবারের সবাইকে নৃসংশভাবে হত্যা করা হয়। আমি ও আমার বোন (শেখ রেহানা) দেশের বাহিরে থাকার কারনে বেচেঁ যাই।
রবিবার সকাল ১১টায় তিনি হেলিকাপ্টার যোগে দিনাজপুর গোড়ে শহীদ বড় মাঠে অবতরন করেন। এরপর দিনাজপুর জেলা স্কুলে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে ত্রান বিতরন করেন। এখানে ত্রান বিতরনের পর বিরল তেঘড়া নিন্ম মাধ্যমিক উচ্চ বিদ্যালয় প্রঙ্গনে বন্যার্তদের মাঝে আবারো ত্রান বিতরন করেন।

দিনাজপুর জেলা প্রশাসক মীর খায়রুল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠারে উপস্থিত ছিলেন, আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, জাতীয় সংসদ হুইপ ইকবালুর রহিম এমপি, জাতীয় সংসদ সদস্য মনোরঞ্জন শীল গোপাল এমপি, জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মীর্জা আশফাক, কোতয়ালী আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক বিশ্বজিৎ ঘোষ কা ন।

প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী ছিলেন, কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রানমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম, আওয়ামী লীগের যুগ্ন সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক।
দিনাজপুরের সদর ও বিরল উপজেলায় ত্রান বিতরনের পর প্রধানমন্ত্রী দুপুরের নামাজ ও মধ্যাহ্ন বিরতির পর কুড়িগ্রাম জেলার উদ্দেশ্যে রওনা দেন।

ফখরুল হাসান পলাশ,দিনাজপুর প্রতিনিদি