অবৈধভাবে আসছে মিয়ানমারের গরু, অভিযান চালিয়েছে বিজিবি

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি ও থানচি সীমান্ত দিয়ে মিয়ানমার থেকে চোরাই পথে অবৈধভাবে কোরবানির গরু আসা শুরু করেছে। থানচি সীমান্ত দিয়ে তুলনামূলক কম হলেও নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তের বিভিন্ন পয়েন্ট ধরে গরু আসছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

সম্প্রতি নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার আশারতলী-জারুলিয়াছড়ি এলাকা থেকে ৮টি চোরাই গরু আটক করেছে বাংলাদেশ বর্ডার গার্ডের ৩১ ব্যাটালিয়ান। বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, ব্যাটালিয়ানের একটি টহলদল জারুলিয়াছড়িতে অভিযান চালিয়ে গরুগুলো আটক করে। এসময় বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে গরুর চোরাকারবারীরা গহীন অরণ্যে পালিয়ে যায়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, চোরাকারবারিদের একাধিক সিন্ডিক্যাট রয়েছে নাইক্ষ্যংছড়ি ও অন্যান্য সীমান্ত এলাকায়। বছরের অন্যদিন চোরাকারবারিদের এই সিন্ডিক্যাটগুলো কাঠ, ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদকদ্রব্যের ছোট ছোট চালান অবৈধভাবে আমদানি করলেও কোরবানির সময় গরু-মহিষই আমদানি করে। গফুর সিন্ডিক্যাট, কালাম সিন্ডিক্যাটসহ অন্তত ৮টি সিন্ডিক্যাট মায়ানমার সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে গরু আমদানির কাজে সক্রিয় রয়েছে।

এদিকে স্থানীয় সূত্র জানা গেছে, সপ্তাহকাল আগে বিজিবির হাতে আটক গরু গুলো জনৈক গফুর সিন্ডিকেটের। বান্দরবান-মায়ানমার সীমান্তের জারুলিয়াছড়ি, আশারতলী, চেরারকুল এলাকার অন্তত ৩০ জনের একটি সিন্ডিকেট মিয়ানমার থেকে অবৈধভাবে গরু আনার কাজে জড়িত রয়েছে। এদের বিরুদ্ধে বিজিবি ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারি বাহিনীর অন্যান্য সদস্যরা তৎপর হলে সরকারি অবৈধ পথে এভাবে গরু ও চোরাইপণ্য আমদানি কমে আসবে বলে মনে করেন স্থানীয়রা।