শ্রেণিকক্ষে শিক্ষিকাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ১

বরগুনার বেতাগীতে শিক্ষিকাকে জোরপূর্বক ধর্ষণের ঘটনার দায়ের হওয়া মামলার এজাহারভুক্ত আসামি মোঃ মেহেদী হাসান রবিউলকে (১৮) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রবিবার সকালে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। রবিউল বেতাগী উপজেলার হেসনাবাদ ইউনিয়নের কদমতলা গ্রামের মোঃ সুলতান হোসেনের ছেলে ও এ মামলার চার নম্বর আসামি।

এ বিষয়ে বরগুনার পুলিশ সুপার বিজয় বসাক পিপিএম বলেন, ‘ধর্ষকদের গ্রেপ্তারের জন্য রাতভর বিভিন্নস্থানে অভিযান চালায় পুলিশ। পরে সকালে মেহেদী হাসান রবিউলকে গ্রেপ্তার করা হয়। তবে অন্য আসামিদের গ্রেপ্তার করার স্বার্থে কোন স্থান অথবা এলাকা থেকে রবিউলকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, তা বলতে রাজি হননি পুলিশ সুপার বিজয় বসাক পিপিএম। তিনি আরো বলেন, রবিউলকে ঘটনা সম্পর্কে প্রাথমিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদের পর আদালতে হাজির করা হবে। তবে, আদালতে তার রিমান্ড চাওয়া হবে কি না, তা এখনই বলতে রাজি হননি তিনি।

বরগুনার বেতাগীতে স্বামীকে আটকে রেখে শ্রেণিকক্ষে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকাকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়। এ ঘটনায় ছয়জনকে আসামি করে গত বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে বেতাগী থানায় মামলাটি দায়ের করেছেন সংখ্যালঘু পরিবারের ভুক্তভোগী ওই শিক্ষিকা।

মামলায় অভিযুক্তরা হলেন- বেতাগীর হোসনাবাদ ইউনিয়নের কদমতলা গ্রামের মোঃ হিরন বিশ্বাসের ছেলে সুমন বিশ্বাস (৩৫), আব্দুল বারেক মিয়ার ছেলে মোঃ রাসেল (২৪), আঃ কুদ্দুস কাজীর ছেলে সুমন কাজী (৩০), মোঃ সুলতান হোসেনের ছেলে মোঃ রবিউল (১৮), আঃ রহমানের ছেলে মোঃ হাসান (২৫) ও মোঃ আবদুর রহমান হাওলাদারের ছেলে মোঃ জুয়েল (৩০)।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, বেতাগী উপজেলার একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক সহকারি শিক্ষকা ও তার স্বামী গত বৃহস্পতিবার স্কুল ছুটির পর বিদ্যালয়ে বসে কথা বলছিলেন। তাদের কথোপকথন দেখে অভিযুক্তরা স্কুলের মধ্যে প্রবেশ করতে চাইলে ওই শিক্ষিকা ভয়ে স্কুলের প্রধান দরজায় তালা লাগিয়ে বন্ধ করে দেন। এ সময় অভিযুক্তরা তালা ভেঙে ভেতরে ঢুকে তার স্বামীকে এলোপাথারি মারধর করে স্কুলের একটি কক্ষে আটকে রেখে অপর একটি কক্ষে স্কুল শিক্ষিকাকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে চলে যায়।