বাংলাদেশের মাটিতে পা পড়ছে অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট দলের

ডারউইন থেকে সিঙ্গাপুর হয়ে ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর। আজ রাত পৌনে ১১টায় বাংলাদেশের মাটিতে পা পড়ছে অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট দলের। শেষ হচ্ছে অপেক্ষার।

অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে এই টেস্ট সিরিজের জন্য আসলেই ছিল দীর্ঘ প্রতীক্ষা। নির্দিষ্ট করে বললে ১১ বছরেরও বেশি। সেই ২০০৬ সালের এপ্রিলে রিকি পন্টিংয়ের অস্ট্রেলিয়া দুটি টেস্ট খেলে যাওয়ার পর অস্ট্রেলিয়া আবার আসছে। এই দীর্ঘ সময়ে বদলে গেছে কত কিছু। দুটি দলের মধ্যেই প্রজন্মের ব্যবধান ঘটে গেছে। টি-টোয়েন্টি নামের সংকরায়িত ক্রিকেটের উন্মাদনায় সারা বিশ্বই উথালপাথাল। অস্ট্রেলিয়া বাংলাদেশে আর টেস্ট খেলতে আসেনি। বাংলাদেশকেও তারা টেস্ট খেলতে ডাকেনি নিজের দেশে।

এর আগে, ২০১৫ সালে দ্বিপাক্ষিক সফরে বাংলাদেশে আসার কথা ছিল অস্ট্রেলিয়ার। কিন্তু নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে ওই সময় বাংলাদেশে দল পাঠাতে অপারগতা প্রকাশ করে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া (সিএ)। পরে ২০১৬ সালে ইংল্যান্ড সিরিজ সফলভাবে আয়োজন করায় বাংলাদেশের নিরাপত্তা নিয়ে নিজেদের সন্তুষ্টির কথা জানায় ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া।

আর তারই জের ধরে গত ১৫ আগস্ট ঢাকায় এসেছিল সিএ’র অগ্রবর্তী দল। সিএ’র দুই নিরাপত্তা কর্মকর্তা শন ক্যারল ও ফ্রাঙ্ক ডেমাসি প্রস্তুতি ম্যাচের ভেন্যু, সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা পর্যবেক্ষণ করছেন।

এদিকে, নিরাপত্তা ব্যবস্থায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে বিসিবি। আর তারই অংশ হিসেবে গতকাল মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে জিম্মি উদ্ধারের মহড়া করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ‘১ প্যারা কমান্ডো ব্যাটেলিয়ন। ‘

উল্লেখ্য, আগামী ২২ ও ২৩ আগস্ট দু’দিনের প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে সফরকারীরা। ঢাকায় দুই দলের প্রথম টেস্টটি শুরু হবে ২৭ আগস্ট। এরপর ৪ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রামে দ্বিতীয় টেস্টে অস্ট্রেলিয়ার মুখোমুখি হবে তামিম-মুশফিকরা।