বেগম খালেদা জিয়া পাকিস্থানের এজেণ্ট: শেখ ফজলুল 

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি মন্ডলীর সদস্য ও সাংসদ শেখ ফজলুল করিম সেলিম এম পি বলেছেন, বেগম খালেদা জিয়া পাকিস্থানের এজেণ্ট। বিএনপি তাদের আমলে মুক্তিযুদ্ধের বিরোধীতাকারি যুদ্ধাপরাধী গোলাম আযমকে পাকিস্থান থেকে ফিরিয়ে এনে তাকে এদেশে নাগরিকত্ব দিয়ে প্রতিষ্ঠিত করেছে।

আজ সোমবার গোপালগঞ্জে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব চক্ষু ও বিজ্ঞান ইন্সটিটিউট কতৃক আয়োজিত অত্র প্রতিষ্ঠানের সম্মেলন কক্ষে ডিষ্ট্রিক আই কেয়ার প্রোগ্রাম ভিশন বাংলাদেশের আওতায় “চক্ষু স্বাস্থ্য পরিচর্যা বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি” বিষয়ক কর্মশালর প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগের আমলে সকল ক্ষেত্রের ন্যায় স্বাস্থ্য সেবায় ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আ’লীগ সরকারের আমলে দেশব্যাপী যে উন্নয়ন হয়েছে তার ধারাবাহিকতায় গোপালগঞ্জে ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। অন্য যেকোন সরকারের আমলে গোপালগঞ্জ নিগৃত অবহেলিত হয়, আর আ’লীগ ক্ষমতায় থাকলে উন্নয়ন হয়। তার ধারাবাহিকতায় ১৫ একর জায়গার উপর নির্মিত ১৮২ কোটি টাকা ব্যয়ে দেশের ২য় বৃহত্তম এই চক্ষু ইন্সটিটিউটি দক্ষিণ বঙ্গের মানুষের চক্ষু সেবার জন্য প্রধানমন্ত্রী নির্মাণ করেছেন।

সেলিম বলেন, বঙ্গবন্ধুর রক্তের সাথে যারা বেইমানী করেছে জনগণ তাদের ক্ষমা করবে না। বিশ্বের ইতিহাসে এহেন নিকৃষ্ট হত্যাকান্ড যারা ঘটিয়েছে তারা কেও রেহাই পাবে না। সাইটসেভার্স এর সহযোগিতায় বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব চক্ষু ও বিজ্ঞান ইন্সটিটিউট এর পরিচালক ডাঃ সাইফুদ্দিন আহম্মেদ এর সভাপতিত্বে কর্মশালায় আরো বক্তব্য রাখেন, গোপালগঞ্জ জেলা আ’লীগ সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব আলী খান, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান চোধুরী এমদাদুল হক, সাংসদ পুত্র শেখ ফজলে নাইম ও শেখ ফজলে ফাইম, সাইটসেভার্স এর কন্ট্রি ডিরেক্টর খন্দকার আরিফুল ইসলাম, মমিনুল ইসলাম প্রমূখ।

উল্লেখ্য, ২০১৫ সালের এপিলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রতিষ্ঠানটি উদ্বোধন করেন। ওই বছর ১৯ আগষ্ট থেকে বহির্বিভাগ, ২০১৬ সালের ১মার্চ আন্তঃবিভাগ ও অপারেশন কার্যক্রম চালু হয়। শুরু থেকে চলতি বছরের জুলাই মাস পর্যন্ত ১ লক্ষ ৬৮ হাজার ৭১০ জন চোঁখের রোগিকে বহির্বিভাগে সেবা প্রদান ও ৪ হাজার ৭৯৭ জন রোগীর চোঁখের অপারেশন করা হয়। এছাড়া আউট রিচ ক্যাম্পের মাধ্যমে প্রত্যন্ত আ লে ১০ টি ক্যাম্প পরিচালনার মধ্যমে প্রায় ৫ হাজার রোগীকে চক্ষু সেবা প্রদান করা হয়।

ফরিদপুর প্রতিনিধি, হারুন-অর-রশীদ