কাটছাঁট ছাড়াই সেন্সর সনদ পেল সরকারি অনুদান প্রাপ্ত আত্মজৈবনিক কাহিনি ছিটকিনি-(রেস্ট ইজ সাইলেন্স)। যোজনা প্রোডাকশনস ও ইমপ্রেস টেলিফিল্ম প্রযোজিত এই ছবিটি পরিচালনা করেছেন সাজেদুল আউয়াল। কাহিনি ও চিত্রনাট্যও তাঁর নিজের।

পঞ্চগড় রেলস্টেশনের কর্মচারী কফিলের যক্ষ্মা হয়। কফিলের জন্য পাথর শ্রমিক ময়মুনার চরম ও নীরব আত্মত্যাগের মানবিক ঘটনাকে কেন্দ্র করে ছিটকিনির কাহিনি আবর্তিত হয়। সাজেদুল আউয়াল বলেন, ‘মৈমনসিংহ গীতিকার ‘মলুয়া’ পালায় মলুয়ার চরিত্র যেভাবে চিত্রিত হয়েছে, ছিটকিনিতে ময়মুনার চরিত্র ঠিক উল্টো ভাবে চিত্রিত হয়েছে।’ তাঁর মতে, চলচ্চিত্রে তিনি ‘উল্টোপালা’ রচনা করেছেন। ছবিটিতে অভিনয় করেছেন রুনা খান, ভাস্বর বন্দ্যোপাধ্যায়, আমিনুর রহমান মুকুল, মানস বন্দ্যোপাধ্যায়, মাহমুদুল ইসলাম মিঠু, মুসতাগিসুর রহমান বাবু, রুবলী চৌধুরী, জহিরুজ্জামান, বাউল রইসউদ্দীন সরকার, সাজাহান বাউল, সরকার হায়দার, মোস্তাক, শিশুশিল্পী আপন। একটি অংশে ‘মলুয়া’ পালা পরিবেশন করেন কেন্দুয়ার পালাশিল্পী দিলু বয়াতি ও তাঁর দল।

সাজেদুল আউয়াল বলেন, ‘ছবির কাহিনি শীতকালের। কয়েক বছর ধরে শীতকালে দীর্ঘ শুটিং হয়েছে। পঞ্চগড় রেলস্টেশনে তিনি ১৯৮৩ সালে গিয়েছিলেন। তখনই তিনি ছিটকিনির চিত্রনাট্য লেখেন। এক অর্থে এটি তাঁর আত্মজৈবনিক কাহিনি।’ ২০১৩-১৪ অর্থবছরে অনুদান পায় ছবিটি।

পরিচালক তাঁর দুই অকাল প্রয়াত বন্ধু চলচ্চিত্রকার তারেক মাসুদ ও চিত্রগ্রাহক মিশুক মুনীরকে চলচ্চিত্রটি উৎসর্গ করেছেন। তিনি বলেন, শিগগিরই এটি মুক্তি পাবে।