বনশ্রীতে নিহত গৃহকর্মী লাইলীর দাফন সম্পন্ন

কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ি উপজেলার সমন্বয় পাড়া নিজ গ্রামের বাড়িতে চিরতরে ঘুমিয়ে গেল ঢাকার বনশ্রীতে নিহত গৃহকর্মী লাইলী। রোববার সকালে উপজেলার খেজুরতলা নূরানী হাফেজিয়া মাদ্রাসার মাঠে কয়েকশত মানুষের অংশ গ্রহণে জানাজা শেষে তার বাবার বাড়ির প্রাঙ্গণে তাকে দাফন করা হয়।

জানাজায় অংশ নেওয়া সদ্য বিলুপ্ত ছিটমহাল দাশিয়ারছড়ার কয়েকজন অধিবাসী জানাজা পূর্ব বক্তব্যে লাইলীর এই মৃত্যুর জন্য দায়ী গৃহকর্তা মুন্সী মাইন উদ্দিন, তার স্ত্রী শাহানা বেগম, কেয়ারেটেকার তোফাজ্জল হোসেন টিপুসহ জড়িত সকলের শাস্তি দাবি করেন। এছাড়া এলাকাবাসী লাইলীর সন্তানদের ভরণ পোষণের দায়িত্ব সরকারকে নেওয়ার জন্য আহ্বান জানান। এর আগে ময়নাতদন্ত শেষে শনিবার বিকালে লাইলীর লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হলে রোববার ভোর পাঁচটায় লাইলীর বাবা নজরুল ইসলাম ও ঢাকায় অবস্থানরত স্বজনরা লাশ নিয়ে লাইলীর গ্রামের বাড়ি কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ি উপজেলার বিলুপ্ত ছিটমহল দাসিয়ারছড়ার কালিরহাট বাজার সংলগ্ন সমন্বয় পাড়ায় পৌঁছায়।

প্রসঙ্গত, শুক্রবার রাজধানীর বনশ্রী বি ব্লকের ৪ নম্বর রোডের ১৪ নম্বর বাড়ি থেকে লাইলীর (২৬) ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়। পরে তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠালে সেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ওইদিন রাতেই লাইলীর ভাসুর শহীদুল ইসলাম বাদী হয়ে খিলগাঁও থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। মামলায় গৃহকর্তা মুন্সী মাইন উদ্দিন, তার স্ত্রী শাহানা বেগম, কেয়ারেটেকার তোফাজ্জল হোসেন টিপুর নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরো কয়েকজনকে আসামি করা হয়।

মোঃ মনিরুজ্জামান । কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি