এখনও বন্ধ হয়নি ব্র্যাক শিক্ষার্থীদের আন্দোলন

ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে শিক্ষককে মারধরের ঘটনায় পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি পুনর্গঠনের পরও আন্দোলন অব্যাহত রেখেছেন বিশ্ববিদ্যালয়টির শিক্ষার্থীরা। বৃহস্পতিবার (৩ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১১টা থেকে তারা ক্যাম্পাসের সামনে অবস্থান নিয়েছেন।রেজিস্ট্রার পদত্যাগ না করা পর্যন্ত এ অনশন অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়েছে তাদের পক্ষ থেকে। ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীদের অনশন।

তবে আগের দিনগুলোর চেয়ে বৃহস্পতিবার অনশনে আসা শিক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল তুলনামূলকভাবে কম। ক্যাম্পাসের মূল ফটকে চোখে পড়লো কেবল কয়েকজন শিক্ষার্থী অনশনে অংশ নিচ্ছেন। সংশোধন এনে তদন্ত কমিটি পুনর্গঠনের পরও কেন আন্দোলনে জানতে চাইলে শিক্ষার্থীরা বলেন, ‘গত ১ আগস্ট বিকালে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের মধ্যে ছাত্রীদের ধাক্কা দিয়েছে পুরুষ সিকিউরিটি গার্ডরা। কিন্তু তদন্ত কমিটির এজেন্ডায় এ বিষয়টি উল্লেখ নেই। আমরা চাই এ বিষয়েও তদন্ত হোক।’ কামরুন্নাহার ডোনা নামে এক শিক্ষার্থীর ভাষ্য, ‘আমাকে একজন পুরুষ সিকিউরিটি গার্ড ধাক্কা দিয়েছে। আমি এর বিচার চাই।’

পুনর্গঠিত কমিটিতে শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধি হিসেবে রাখা হয়েছে মাইমুনা সাইদ আহমেদ নামের একজনকে। এ প্রসঙ্গে অন্য শিক্ষার্থীরা বলেছেন, ‘কমিটিতে মাইমুনা সাইদ আহমেদ নামে যে শিক্ষার্থী প্রতিনিধিকে রাখা হয়েছে তার ব্যাপারে আমাদের খুব একটা আপত্তি নেই। তবে তদন্ত সুষ্ঠু হতে হবে।’

ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীদের অনশনএদিকে বুধবারের (২ আগস্ট) মতো বৃহস্পতিবারও বিশ্ববিদ্যালয়টির সব ক্লাস বন্ধ আছে। বুধবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে তদন্ত কমিটি পুনর্গঠন ও দুই দিন ক্লাস বাতিলের কথা জানায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। তবে সব পরীক্ষা চলবে বলে জানিয়েছিলেন ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির উপাচার্য সৈয়দ সাদ আন্দালিব। যদিও শিক্ষার্থীরা গত ১ আগস্ট থেকে কোনও ক্লাস-পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন না।

গত ৩০ জুলাই ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির রেজিস্ট্রার মাহমুদ শাহুল আফজাল ও সহকারী রেজিস্ট্রার মো. মাহি উদ্দিন ও জাভেদ রাসেলের বিরুদ্ধে একই বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব ল বিভাগের শিক্ষক ফারহান উদ্দিন আহম্মেদকে মারধরের অভিযোগ ওঠে।