আমার দেয়া ছাগল মরেনি, প্রতিমন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র চন্দ শনিবার খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলায় দুস্থদের মধ্যে ছাগল ও হাঁস-মুরগি বিতরণ করেন। ওই দিন রাতেই বিতরণ করা একটি ছাগল মারা গেছে। রোগাক্রান্ত থাকার কারণে ছাগলটি মারা গেছে এ ধরনের খবর সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করায় ওই প্রতিমন্ত্রীর মানহানি হয়েছে – এমন এক মামলায় স্থানীয় একজন সাংবাদিককে তথ্যপ্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারায় গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

গ্রেফতার হওয়া সাংবাদিক আবদুল লতিফ মোড়ল

স্থানীয় দৈনিক প্রবাহ পত্রিকার সাংবাদিক আব্দুল লতিফ মোড়লের বিরুদ্ধে মামলাটি করেন স্থানীয় আরেক সাংবাদিক সুব্রত কুমার ফৌজদার। তবে মৎস্য ও প্রাণীসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র এর পর বলেন, এ ঘটনায় তার মানহানি হয়েছে বলে তিনি মনে করেন না। ‘সেটা আমি মনে করি না। আমার কাজ ঠিক থাকলে এতে কিছু আসে যায় না।’

তিনি আরও বলেন, তিনি যে ছাগল দিয়েছিলেন সেটা মারা যায় নি। আমি তো সবগুলি ছাগল দেই নাই। আমি যেটা দিয়েছি সেটা মারা যায় নাই । মারা গেছে অন্য একটা ছাগল। এফসিডিআই প্রকল্পের দেয়া কোনো ছাগল মারা গেছে কিনা সে ব্যাপারে আমি এখনো কিছু জানি না। তবে এ রকম ঘটনা ঘটলে তদন্ত করে দায়িদের ব্যাপারে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এরকম একটা মামলায় একজন সাংবাদিককে গ্রেফতার করাটা কতটুকু যৌক্তিক হয়েছে? এ প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী মি. চন্দ বলেন, যৌক্তিকতা .. এ বিষয় সম্পর্কে আমার দৃষ্টিকোণ থেকে আমি বলেছি। যারা মামলা করেছে তারা তাদের দৃষ্টিকোণ থেকে করেছে – সেটা তো তাদের ব্যাপার। আমি তো কিছু বলতে পারবো না।

জানা গেছে, জেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর ডুমুরিয়া, বটিয়াঘাটা, দিঘলিয়া ও রূপসা উপজেলায় এফসিডিআই প্রকল্পের আওতায় অসহায় ও দুস্থ পরিবারের মধ্যে ছাগল, ভেড়া, হাঁস ও মুরগি বিতরণ প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। তারই অংশ হিসেবে গত শনিবার ডুমুরিয়া উপজেলার ২৪টি পরিবারের মধ্যে একটি করে ছাগল, ১৮টি পরিবারের মধ্যে ৭টি করে মুরগি ও ১৫টি পরিবারের মধ্যে ৭টি করে হাঁস বিতরণ করে। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র চন্দ প্রধান অতিথি উপস্থিত ছিলেন।