ফরিদপুর-১ আসনের যুব সমাজের ঝোঁক ও আস্থায় আরিফুর রহমান দোলন

নির্বাচনী এলাকা মাতিয়ে তুলেছেন তিনি। যুব সমাজের ঝোঁক তার দিকে- আস্থায় নিয়েছেন মুরব্বীরাও। নির্বাচনী এলাকায় রব উঠেছে দোলনে দুলছে ফরিদপুর-১ আসন। তরুণ এই রাজনৈতিক নেতার নাম আরিফুর রহমান দোলন। কেবল রাজনৈতিক নেতাই নন তিনি- সমসাময়িক সময়ের মেধাদীপ্ত সাংবাদিক- গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব।

রাজনীতির ময়দানে যেমন তুখোড় তিনি-তেমনি তুমুল লেখনিতে একই সঙ্গে টিভি টকশোতে। দিনের পর দিন ঘুরে বেড়াচ্ছেন আলফাডাঙ্গা-বোয়ালমারী মধুখালীর গ্রামে গ্রামে। জানা যায়, আরিফুর রহমান দোলন এবার আওয়ামী লীগের মনোনয়ন চান ফরিদপুর -১ আসন থেকে। শতভাগ নৌকার ভোটের এলাকা আলফাডাঙ্গা উপজেলার কামার গ্রামের ঐতিহ্যবাহী মুন্সী পরিবারের সন্তান দোলন। পুরো এলাকা জুড়ে বৃটিশ যুগ থেকে সমাজ সেবক পরিচিতি পাওয়া কাঞ্চন মুন্সীর প্রপৌত্র তিনি। সে কারণেই দোলনের অস্থি-মজ্জায় সমাজ সেবার স্বভাব। তিনি বিপদে আপদে মানুষের পাশে দাড়াঁন-হাত বাড়ান।

ছাত্রলীগের রাজনীতিতে দোলনের অভিষেক ঘটে স্কুলের গন্ডি পের’নোর আগেই। বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ধারণ করেই তাঁর বেড়ে ওঠা। ১৯৮৮ সালে ছাত্রলীগের কমিটিতে প্রথম অর্ন্তভুক্ত হন আলফাডাঙ্গা উপজেলা ছাত্রলীগের নির্বাহী কমিটির সদস্য হয়।স্কুলের সীমানা পেরিয়ে আরিফুর রহমান দোলন ভর্তি হন বৃটিশ ভারতে পূর্ববঙ্গে প্রতিষ্ঠিত অন্যতম প্রধান শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ঢাকা কলেজে। ঢাকা কলেজে আরো সক্রিয় হয়ে ওঠেন ছাত্রলীগের রাজনীতিতে। ঢাকা কলেজের পর উচ্চ শিক্ষা নিতে যান ভারতে। নেতৃত্বের সহজাত স্বভাবে বসে থাকতে পারেননি ভারতে গিয়েও। কলকাতায় পড়তে যাওয়া বাংলাদেশের মুজিবাদর্শের ছাত্রদের নিয়ে ,ছাত্রলীগের কমিটি গড়ে তোলেন কলকাতায়। সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ থেকে প্রধান অতিথি হয়ে সম্মেলন যোগ দেন আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী নেতা আমির হোসেন আমু। গঠিত হয় ছাত্রলীগ পশ্চিম বঙ্গ(ভারত) শাখা। কমিটির যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক হন বঙ্গবন্ধুর গায়েঁর ছেলে আরিফুর রহমান দোলন।

রাজনীতিতে যখন মেধাবী তরুণদের আহ্বান আসছে- মেধাশূন্যতার হাত থেকে রাজনীতি বাঁচানোর উদ্যোগ নিয়ে এগুচ্ছে স্বয়ং আওয়ামী লীগ প্রধান শেখ হাসিনা, ঠিক সেই সময়ে আগামী সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নের প্রত্যাশায় মাঠে ময়দানে ছুটে বেড়াচ্ছেন এক মেধাবী তরুণ। আরিফুর রহমান দোলন এক বুদ্ধিদীপ্ত সাহসী সাংবাদিক। একাধারে তিনি লিখতে পারেন, টিভি টক শোতে বলতে পারেন একই ভাবে মাঠে ময়দানে জনতার সাথে মিশে যেতে পারেন তাদের আপনজন হয়ে।

সাংবাদিকতার জগতে খুব কম সাংবাদিকই আছেন দোলনের মত এত অল্প সময়ে সাহাসীকতা পূর্ণ গবেষামূলক কাজ করে জাতীয় পুরস্কার পেয়েছেন। তিনি চারণ সাংবাদিক মোনাজাতউদ্দিন স্মৃতি পুরস্কার পেয়েছে,ঢাকা রিপোর্টার ইউনিটির সেরা রিপোর্টারের পুরস্কার পেয়েছেন। সাংবাদিকতার পেশায় তিনি হয়ে ওঠেছিলেন রাজনীতির পর্যক্ষেক। অন্তরে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ধারণ করা দোলন কলম ধরেছেন মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে। তুলে এনেছেন মুক্তিযুদ্ধের অজানা ইতিহাস। প্রকাশ করেছেন ‘একাত্তরের গোপণ দলিল’। জঙ্গীবাদ যখন শেকড় গাড়তে শুরু করে- চার দলীয় জোটের মদদে উত্তরবঙ্গে বাংলা ভাইর হুংকার শুরু হয় সে সময়ে জঙ্গিবাদের শেকড়ের সন্ধানে কলম ধরেন তিনি। দোলন কাজ করেছেন দেশ সেরা দু’পত্রিকায়। প্রথম আলো আর বাংলাদেশ প্রতিদিনে। এখন তিনি দুটি মিডিয়া হাইজ ঢাকাটাইমস ও সাপ্তাহিক এই সময়ের মালিক। পাশাপাশি একজন সফল ব্যবসায়ী।

এই মেধাদীপ্ত তরুণ আরিফুর রহমান দোলন মানুষের জন্য কাজ করেন,আলফাডাঙ্গা-বোয়ালমারী-মধুখালী এলাকায় গেলেই পাওয়া যায় তার হাতের ছোয়া। মধুখালী বীরশ্রেষ্ঠ আবদুর রউফ পাঠাগারসহ এলাকার অন্য পাঠাগার গুলোতে তিনি বই বিতরণ করছেন। তিনি চান এলাকায় তৈরি হোক আলোকিত মানুষ। মাদকের হিংস্র ছোবল যাতে পরিবারগুলোকে ক্ষতবিক্ষত করতে না পারে সে জন্য নিয়মিত এলাকায় মাদক বিরোধী সমাবেশ করেন তিনি। এলাকার দরিদ্র অসহায় যে মানুষগুলো সামান্য অর্থের অভাবে চক্ষু চিকিৎসা করাতে পারেন না-দোলন তাদের জন্য এগিয়ে আসেন চক্ষু শিবির করার উদ্যোগ নেন। বর্তমান ডিজিটাল যুগে এলাকার ছেলে মেয়েরা যদি পিছিয়ে থাকে তারা ছিটকে পড়বে চাকুরীসহ নানা প্রতিযোগিতা থেকে সে কারণে এলাকায় নিজের টাকায় কম্পিউটার প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করেছেন আরিফুর রহমান দোলন।

তারুণ্যদীপ্ত-গতিময় মেধাবী, শিক্ষিত আধুনিক মানসের রাজনীতিক আরিফুর রহমান দোলন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নতুন মুখ। তিনি আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশা করেন ফরিদপুর-১ আসন থেকে।

হারুন-অর-রশীদ, ফরিদপুর প্রতিনিধি