‘সেরা বাঙালি’ পুরস্কারে ভূষিত হলেন মাশরাফি ও জয়া

এবিপি আনন্দ সম্মান জানিয়ে এবারের ‘সেরা বাঙালি’ পুরস্কারে ভূষিত করেছেন জয়া আহসান ও মাশরাফি বিন মুর্তজাকে।কলকাতায় আনন্দবাজার গ্রুপের টিভি চ্যানেল এবিপি আনন্দের পক্ষ থেকে নিয়মিত দেয়া হয় ‘সেরা বাঙালি’ পুরস্কার। সেই খেতাবে ভূষিত হলেন বাংলাদেশের দুই অঙ্গনের এই দুই তারকা। 

পদ্মাপাড়ের বাঙালির সেরার মুকুটে আরো দুটি উজ্জ্বল পালক যুক্ত হল শনিবার। ২২ গজের সেরা তারকা ক্রিকেটার মাশরাফি বিন মর্তুজা একটি আর রুপালি পর্দায় আলোচিত অভিনেত্রী জয়া আহসান আরো একবার সেরার স্বীকৃতি পেলেন।  কলকাতার দ্য গ্র্যান্ড ওয়েবয় হোটেলে আয়োজিত এক জমকালো অনুষ্ঠানে জয়ার হাতে পুরস্কার তুলে দেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। আর মাশরাফির হাতে সেরা বাঙালির পুরস্কার তুলে দেন ভারতের নারী ক্রিকেট দলের নিয়মিত সদস্য পশ্চিমবঙ্গের মেয়ে ঝুলন গাঙ্গুলি। অভিনয়ের জন্য এর আগে ‘সেরা বাঙালি’র সম্মাননা পেয়েছেন মিঠুন চক্রবর্তী, সব্যসাচী চক্রবর্তী, পাওলি দাম, প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়, রাহুল বোস, দেবশঙ্কর হালদার। অন্যদিকে ক্রিকেট জগতে বাংলাদেশের কিংবদন্তি হাবিবুল বাশার ও বর্তমান অল রাউন্ডার সাকিব আল হাসানও এ খেতাবে সম্মানিত হয়েছিলেন।

পুরস্কারপ্রাপ্তিতে উচ্ছ্বসিত জয়া আহসান। তার প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেন, আমি বাঙালি। আমার বড় পরিচয়।আমার এই পরিচয়টিকে এবিপি আনন্দ সম্মান জানিয়ে এবারের ‘সেরা বাঙালি’ পুরস্কারে ভূষিত করেছে।আমি ব্য্।ক্তিগত ভাবে মনে করি এসম্মানপাবার আমি এখনো পুরোপুরি যোগ্য নই। অভিনয় স্কুলে মাত্র অ, আ, ক, খ শিখতে শুরু করেছি। তারপর-ও যে কোনো স্বীকৃতি এটি অন্তত নিশ্চিত করে, আমি ভুল পথে নেই।

তিনি আরও বলেন, হাজার বছরের বাঙালি সংস্কৃতির সমৃদ্ধি সাধনে যে শিল্পী ও সংস্কৃতি কর্মীরা ত্যাগ ও নিরলস কর্ম করে গেছেন আমিও তাদের মতোই এfকজন নিরলস কর্মী মাত্র। আমার আগে এই সম্মানে যারা ভূষিত হয়েছেন তাদের কাতারে নিজেকে দেখতে পেয়ে নিজেকে ধন্য মনে করছি।

বাংলাদেশের এই দুই তারকার পাশাপাশি অন্যান্য ক্যাটাগরি আরও যারা এ বছর সেরা বাঙালি পুরস্কার পেয়েছন তাদের মধ্যে রয়েছেন– সঙ্গীতে কৌশিকি চক্রবর্তী, নাটকে বিভাস চক্রবর্তী, সাহিত্যে জয় গোস্বামী, বিনোদনে জাদুকর পি সি সরকার (জুনিয়র), বাণিজ্যে কে ডি পাল। বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা বাঙালি কীর্তিমানদের পুরস্কৃত করেছে এবিপি আনন্দ। এবার ছিল এই আয়োজনের ১৩তম আসর।