পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধ’, নিহত ৪

বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা ও কুষ্টিয়ায় পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ চারজন নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে দুজন ঢাকার মিরপুরের রূপনগর এলাকায় এবং অপর দুজন কুষ্টিয়ার সদর ও ভেড়ামারায় উপজেলায় নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার রাত থেকে ভোরের মধ্যে এসব ঘটনা ঘটে বলে আজ (বুধবার) সকালে পুলিশের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে।

আজ(বুধবার) ভোরে রাজধানীর মিরপুরের রূপনগরে পানি উন্নয়ন বোর্ডের পাশের মাঠে পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) সদস্যদের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ দুজন নিহত হয়েছেন। সকাল ৭টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের চিকিৎসক দুজনকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহত দুজনের নাম-পরিচয় জানা যায়নি।

পুলিশের ভাষ্য, বন্দুকযুদ্ধের পর ঘটনাস্থল থেকে একটি প্রাইভেটকার, দুটি পিস্তল ও একটি লোহার টুকরা জব্দ করা হয়। নিহত দুজনের লাশ ঢামেক হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে বলে জানান রূপনগর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মোমিনুর রহমান। তিনি জানান, ডিবির সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হয় অজ্ঞাতপরিচয় দুই ছিনতাইকারী।

কুষ্টিয়ায় ‘বন্দুকযুদ্ধ’

এদিকে কুষ্টিয়া সদর উপজেলার বাড়াদী ও ভেড়ামারা উপজেলার দশমাইল এলাকায় কথিত ‘বন্দুকযুদ্ধে দুই ডাকাত’ নিহত হয়েছে বলে পুলিশ দাবি করেছে। এ সময় উদ্ধার করা হয় অস্ত্র ও গুলি। এ সময় নিজেদের সাত সদস্য আহত হয়েছে বলেও দাবি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর।

কুষ্টিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি-অপারেশন) ওবাইদুল্লাহ জানান, মঙ্গলবার মধ্যরাতে পুলিশ কুখ্যাত ডাকাত সোবহান আলীকে (৩৭) নিয়ে অভিযানে যায়। সদর উপজেলার বাড়াদী গোরস্তানপাড়ায় গেলে সেখানে ওত পেতে থাকা ডাকাতরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। এ সময় পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার সোবহান পালানোর চেষ্টা করে। পুলিশও আত্মরক্ষার্থে গুলি করে। এ সময় গুলিবিদ্ধ হয়ে সোবহান মারা যান। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে একটি পিস্তল, একটি শাটারগান, গুলি ও একটি কুড়াল উদ্ধার করে।

সোবহান কুমারখালী উপজেলার মনোহরপুর গ্রামের নূর উদ্দিনের ছেলে। তাঁর বিরুদ্ধে ডাকাতিসহ বিভিন্ন অপরাধের একাধিক মামলা রয়েছে বলেও জানায় পুলিশ।