শাকিবের সাথে কাজ করলে স্ব স্ব সমিতি ঐ পরিচালক বা শিল্পীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে বলে জানান চিত্র নায়ক জায়েদ খান।

চলচ্চিত্র পরিবারের নিষেধাজ্ঞার বিপক্ষে হাইকোর্টে শাপলা মিডিয়ার হয়ে রিট করেন ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ। শাপলা মিডিয়ার পক্ষ থেকে ব্যারিস্টার মনিরুজ্জামান জানান, ‘গত মে মাসে শাকিব খান শাপলা মিডিয়ার ‘আমি নেতা হব’, ‘মামলা হামলার ঝামেলা’ ও ‘কেউ কথা রাখে না’ শিরোনামের তিনটি সিনেমায় চুক্তিবদ্ধ হন। এর মধ্যে ‘আমি নেতা হব’ সিনেমার জন্য শাকিব ২৫ জুলাই থেকে ১৪ আগস্ট পর্যন্ত শিডিউল দিয়েছেন। শাপলা মিডিয়া তাকে এ জন্য পারিশ্রমিক বাবদ অর্থ দিয়েছে, নায়িকাসহ অন্যা‌ন্য কলাকুশলী ঠিক করেছে, স্টুডিও ভাড়া করেছে। কিন্তু নিষেধাজ্ঞা জারি করায় বিপদে পড়েন শাপলা মিডিয়ার প্রযোজক এম ডি সেলিম খান। তিনি এ বিষয়ে সহযোগিতা করার জন্য সরকার পক্ষ, চলচ্চিত্র পরিবারসহ সংশ্লিস্ট সবার সহযোগিতা চান। কিন্তু তাদের থেকে কোনো সাড়া না পেয়ে তিনি হাইকোর্টে এ রিট করেন।’ ব্যারিস্টার মনিরুজ্জামান আরও বলেন, ‘এ নিষেধাজ্ঞা কেন অবৈধ হবে না এ মর্মে জানতে চেয়ে হাইকোর্ট চার সপ্তাহের জন্য অন্তবর্তীকালীন রুল জারি করেছে। পাশাপাশি শুধু এ তিনটি ছবির ক্ষেত্রে তিন মাসের জন্য চলচ্চিত্রে পরিবারের নিষেধাজ্ঞার ওপর স্থগিতাদেশ দিয়েছে। শাপলা মিডিয়ার তিনটি ছবিতে শাকিব খানের অভিনয়ে বাঁধা নেই বলে জানিয়েছেন হাইকোর্ট।

এদিকে চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক জায়েদ খান বলেছেন, ‘শাকিব খানকে নিষিদ্ধ করা হয়নি। আমরা বলেছি, তার সঙ্গে আমরা কেউ কাজ করবো না। তাকে কাজ করতে নিষেধ করা হয়নি। তিনি কাজ করবেন কিন্তু তার সঙ্গে আমাদের কেউ কাজ করলে স্ব স্ব সমিতি ব্যবস্থা নেবে। কোনো পরিচালক কাজ করলে পরিচালক সমিতি ব্যবস্থা নেবে। শিল্পী কাজ করলে শিল্পী সমিতি ব্যবস্থা নেবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘সবাই শুধু বলে আমরা শাকিব খানের উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছি। নিষেধাজ্ঞা নয় আমরা শুধু বলেছি তার সঙ্গে কাজ করবো না।’

এর আগে চলচ্চিত্র পরিবার শাকিবের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে। তাতে বলা হয়, অন্যান্য ছবিসহ শাপলা মিডিয়ার তিন ছবিতেও অভিনয় করতে পারবেন না শাকিব। রবিবার দুপুরে বিচারপতি সালমান মাসুদ চৌধুরী এবং বিচারপতি একে এম জহিরুল হকের দ্বৈত বেঞ্চ জানান, এ তিন ছবিতে শাকিবের অভিনয়ে বাঁধা নেই।