ভালোবাসায় অবিশ্বাস দিয়ে অন্তরীপের হাফ সেঞ্চুরির মাইল ফলক স্পর্শ

দেশের স্বনামধন্য প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান অন্তরীপ প্রোডাকশন্স। দীর্ঘদিন ধরে নাটক ও টেলিছবি নির্মাণে প্রতিষ্ঠানটি জনপ্রিয়তার সঙ্গেই জড়িত রয়েছে। সম্প্রতি নাটক নির্মাণে হাফ সেঞ্চুরি করার মাইল ফলক স্পর্শ করলো অন্তরীপ।

অন্তরীপ প্রোডাকশন্সের ৫০তম নাটক ভালোবাসায় অবিশ্বাস। নাটকটি রচনা ও চিত্রনাট্য করেছেন অন্তরীপ প্রোডাকশন্সের কর্ণধার জহির করিম। পরিচালনা করেছেন নাহিদ জামান। এতে বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন অপর্ণা, ইরফান সাজ্জাদ, নোভা ও সাইফ খান। প্রেম ও দাম্পত্যের টানাপোড়েনের গল্পে নির্মিত এই নাটকে দেখা যাবে একজন ফটোগ্রাফার ও মডেলের সম্পর্ক নিয়ে এক সাধারণ গৃহবধূর মানসিক ভাবনার ছায়া। গল্পটি দর্শকের ভালো লাগবে এমনটাই প্রত্যাশা নাট্যকার জহির করিমের।

তিনি বলেন, ‘দেখতে দেখতে অনেকটা সময় পার করেছে অন্তরীপ প্রোডাকশন্স। ভালো গল্পে মানসম্পন্ন নির্মাণের প্রত্যাশায় আমি যাত্রা করেছিলাম। কখনো গতানুগতিকতার স্রোতে নিজেকে এবং নিজের প্রতিষ্ঠানকে ভাসিয়ে দেইনি। এখন পর্যন্ত দেশের প্রায় জনপ্রিয় সব তারকাদের নিয়েই অন্তরীপ কাজ করেছে। সবার ভালোবাসা নিয়ে এভাবেই সাফল্যের সঙ্গে আরও অনেকটা পথ পাড়ি দিতে চাই।’ অন্তরীপের প্রায় সব নির্মাণেই প্রেম, দাম্পত্যের টানাপোড়েনের গল্প দেখা যায়। এটা কী প্রতিষ্ঠানের বিশেষ কোনো বৈশিষ্ট্য কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে জহির করিম বলেন, ‘বলা যেতে পারে। আসলে আমি আমার চারপাশে প্রেমটাকেই সুন্দর করে দেখি। যাপিত জীবনের গল্প ও চরিত্ররাই উঠে আসে আমার ভাবনা ও অন্তরীপের নির্মাণে।’

এই নাটকটি প্রসঙ্গে অপর্ণা বলেন, ‘এই নাটকে আমার চরিত্রটির মধ্যে গভীরতা আছে। কাজ করে তৃপ্তি পেয়েছি। এর গল্প ও সংলাপ দর্শকদের ভালো লাগবে।’ অভিনেতা ইরফান সাজ্জাদ বলেন, ‘অন্তরীপের অনেক প্রোডাকশন্সেই আমি আগেও কাজ করেছি। এবার প্রতিষ্ঠানটি হাফসেঞ্চুরি করলো নাটক নির্মাণে। এই নাটকের অভিনেতা হিসেবে আমার খুবই ভালো লাগছে। নিঃসন্দেহে এটি একটি ইতিবাচক মাইলফলক। অন্তরীপ প্রডাকশনস ও তার কর্ণধার জহির করিম ভাই এবং তার টিমকে অভিনন্দন। সামনে আরও অনেক কাজ করা হবে সেটাই প্রত্যাশা করি।’ অভিনেত্রী নোভা বলেন, ‘নাটকে আমি একজন মডেলের চরিত্রে অভিনয় করেছি। বেশ ভালো একটি গল্প। প্রচারে আসলে নাটকটি দেখে বিনোদিত হবেন দর্শক।’

পরিচালক নাহিদ জামান জানান, নাটকটি শিগগিরই কোনো একটি বেসরকারি চ্যানেলে প্রচার হবে। গত সপ্তাহে রাজধানীর প্রিয়াংকা শুটিং হাউজে নাটকটির শুটিং শেষ হয়েছে।